আজকাল ওয়েব ডেস্ক: চলছে উৎসবের মরসুম। দুর্গাপুজোর পর সামনেই দীপাবলি, ভাইফোঁটা। এরপরই রয়েছে শীতকালীন নানান অনুষ্ঠান-পার্টি। আর উৎসবের দিনগুলিতেই বাহারি কেশসজ্জা করতে কে না ভালবাসেন! কখনও খোলা চুলে হেয়ারক্লিপ, আবার কখনও খোপার সজ্জা।  কেউ আবার পনিটেল কিংবা ঢেউ খেলানো চুলে চমক দেন। সাজের সঙ্গে মানানসই চুলের স্টাইলে সাজতে পছন্দ করেন কিশোরী থেকে মধ্যবয়স্কা, সকলেই। কেশসজ্জা ঠিক না থাকলে যে পুরো সাজই মাটি হয়ে যায় তা বলাই বাহুল্য!। তবে শুধু কেশসজ্জা করলেই তো চলে না, সঙ্গে তার আগে-পরে প্রয়োজন সঠিকভাবে চুলের যত্ন। তাহলে যাই স্টাইল করুন না কেন, কী কী নিয়ম মানলে চুল থাকবে নরম, ঝলমলে? জেনে নিন।

১. চুল যে স্টাইলে বাঁধুন, তা যেন খুব 'টাইট' না হয়। তাহলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে চুল পড়াও। 
২. বৃষ্টির দিনে চুল খোলা রাখাই ভাল। চুল নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার খুব বেশি আর্দ্রতায় চুল নষ্ট হয়। ফলে এমন জায়গায় চুল না বাধাঁই শ্রেয়। তবে খোলামেলা কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জায়গায় থাকলে যে কোনও ধরনের কেশসজ্জা করতে পারেন।  
৩.  ভিজে চুলে কোনও কেশসজ্জা নয়। চুল পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে যে কোনও স্টাইল করতে পারেন। একইসঙ্গে চুল আঁচড়ানোর সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। এতে জট পড়ে চুল ছিঁড়ে যেতে পারে। 
৪. কেশসজ্জার সময়ে হেয়ার জেল, ওয়াক্স, স্প্রে বা মুজের মতো প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ধরনের প্রসাধনীতে রাসায়নিক থাকে যা চুলের ক্ষতি করে। একইসঙ্গে গরম রোলার বা স্ট্রেটনিং আয়রন ব্যবহার করলেও চুল নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। তাই যতোটা সম্ভব এই সব প্রসাধনী কিংবা টুল কম ব্যবহার করা উচিত। 
৫. চুলে রং কিংবা হাইলাইট করলে লুক বদলে যায় ঠিকই। কিন্তু বাজারচলতি রঙের রাসায়নিক চুলের স্বাস্থ্য নষ্ট করে দেয়। ফলে অকালেই চুল ঝরতে কিংবা পাকতে শুরু করে।