আজকাল ওয়েব ডেস্ক: বেসরকারি অফিসে নাইট শিফটে কাজের ধরন নতুন নয়। বেশ কয়েক বছরে বহুজাতিক কোম্পানিগুলির এই ট্রেন্ড অনেকটাই বেড়েছে। এদিকে রাত জেগে কাজের প্রভাব পড়ছে শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যে। হজমের সমস্যা তো বটেই, অনিয়মিত জীবনধারায় মেদ জমতে শুরু করে শরীরের আনাচ-কানাচে। আসলে শরীর চাঙ্গা রাখতে ঘুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঘুমের ঘাটতি হলে শরীরে হানা দেয় একাধিক রোগ। তবে বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে নাইট ডিউটি করেও সুস্থ থাকতে পারেন। জেনে নিন সেই সব উপায়।
১. নাইট ডিউটিতে বেশি চা, কফি খাওয়া চলবে না। এতে শরীর আর্দ্রতা হারাতে থাকে। বদলে রাতে কাজ করলে বেশি করে জল খান। তবে দুধ চায়ের বদলে গ্রিন টি, হার্বাল টি খেতে পারেন। চা-কফি অনিদ্রার সমস্যা ডেকে আনে। ঝুঁকি বাড়ে ওবেসিটিরও।
২. রাত জেগে কাজ করলে ঘন ঘন খিদে পেয়ে যায়। তবে রাতে খুব বেশি ভারী খাবার খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে রাতে পিৎজা, বার্গার, বিরিয়ানির মতো বাইরের খাবার খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। বদলে হাতের কাছে বাদাম, ফল, সিড, শুকনো মুড়িও খেতে পারেন।
৩. সারা সপ্তাহ ঘুম না হলেও ছুটির দিনগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এতে ঘুমের ঘাটতি কিছুটা পূরণ হবে।
৪. শিফটে একটা সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা করতে পারেন। পরপর নাইট শিফট না করে সপ্তাহে কয়েকদিন করতে পারলে ভাল।
৫. রাত জাগতে হলে খাদ্যতালিকায় বেশি করে সবুজ শাকসবজি রাখতে হবে। টমেটো, গাজর, স্ট্রবেরি, সবুজ শাকসবজি খেলে ফাইবার, ভিটামিনের অভাব মিটবে। তেমনই বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও।
৬. নাইট শিফটের অফিস থাকলে রাতে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। কিংবা বাড়িতে খেয়ে অফিসে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে সারা রাত থাকার জন্য সঙ্গে হালকা খাবার রাখতে পারেন।
















