আজকাল ওয়েবডেস্কঃ বাঙালির হেঁশেলে সাদা ভাতই বেশি রান্না হয়। যারা একটু বেশি স্বাস্থ্য সচেতন কিংবা ওজন কমাতে চান, তারা সাদা ভাত ছেড়ে ব্রাউন রাইস খান। দানাশস্য হিসেবে ব্রাউন রাইস সবচেয়ে বেশি উপকারী। একটু দামী হলেও অনেকেই এই চালের ভাত খেতে পছন্দ করেন সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য।

ব্রাউন রাইসের মধ্যে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম থেকে শুরু করে ভিটামিন বি, ফাইবার সবই রয়েছে ব্রাউন রাইসের মধ্যে। এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। উচ্চ পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। ফাইবার বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূর করে। দেহের সঠিক ওজন বজায় রাখার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে ব্রাউন রাইস।

ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও ফাইটোকেমিক্যালের খনি এই লাল চাল হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ব্রাউন রাইস খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এভাবে হার্টের স্বাস্থ্যকেও ভাল রাখে। দানাশস্য, তার উপর গ্লাইসেমিক সূচক কম। ব্রাউন রাইস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে না। ব্রাউন রাইসে থাকা কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়। 

পুষ্টিতে ভরপুর এই খাবার ওজনকে নিয়ন্ত্রনে রাখে। ব্রাউন রাইস খেলে খিদে কম পায়। এতে ক্যালোরির মাত্রাও কম। পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্রাউন রাইসে অনেক বেশি পরিমাণে ফাইবার থাকে। বাকি পুষ্টিগুণও অনেক বেশি থাকে। ফলে সাদা চালের থেকে বেশি উপকার।

ব্রাউন রাইসে  থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান মস্তিষ্কের ভেতরে প্রোটিলেন্ডোপেটিডেস নামক একটি ক্ষতিকর এনজাইমের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। ফলে ব্রেনের ডিজেনারেশন হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। আর এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই ডিমেনশিয়া, অ্যামেনসিয়া এবং অ্যালঝাইমার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়