নিয়মিত টাকা জমালেও বিনিয়োগকারীরা মানে না গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। ফলে দীর্ঘ বছর ধরে সঞ্চয় করেও বিনিয়োগকারী কোটিপতি হতে পারেন না। কিন্তু, এই টিপস মনলেই কেল্লাফতে। মাসে ২০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেই ২ কোটির মালিক হওয়া সম্ভব! জানুন লক্ষ্যপূরণে কতদিন সময় লাগবে?
2
6
সঠিক পরিকল্পনা ও সময়ের সঠিক ব্যবহার করলে মাসে মাত্র ২০,০০০ টাকা জমিয়েই ২ কোটি টাকার বিশাল একটি তহবিল তৈরি করা যায়। আসল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে কম্পাউন্ডিং-এর ক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে।
3
6
সাধারণ এসআইপি - ২১ বছরের লক্ষ্য: যদি প্রতি মাসে ২০,০০০ টাকা করে একটি মিউচুয়াল ফান্ড এসআইপি শুরু করা যায় এবং তাতে বার্ষিক গড়ে ১২ শতাংশ রিটার্ন মেলে, তবে হিসাব দাঁড়াবে- মাসিক বিনিয়োগ: ২০,০০০ টাকা, সময়সীমা: ২১ বছর, মোট বিনিয়োগ: ৫০.৪০ লক্ষ টাকা, আনুমানিক রিটার্ন: ১.৭৭ কোটি টাকা, মোট প্রাপ্তি: ২.২৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ২১ বছর ধৈর্য ধরে বিনিয়োগ চালিয়ে গেলে অনায়াসেই ২ কোটি টাকার গণ্ডি পার করা সম্ভব।
4
6
যদি কেউ ২১ বছর অপেক্ষা করতে না চান তাহলে স্টেপ-আপ এসআইপি করে দ্রুত লক্ষ্যে পৌঁছান যায়। এখানে প্রতি বছর আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিনিয়োগের পরিমাণ সামান্য বাড়াতে হবে। যদি ২০,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করা হয় এবং প্রতি বছর বিনিয়োগের পরিমাণ ১০ শতাংশ বাড়ানো যায়, তবে ফলাফল হবে চমকপ্রদ। হিসাব অনুসারে- মাসিক বিনিয়োগ: ২০,০০০ টাকা (শুরুতে), বার্ষিক বৃদ্ধি: ১০ শতাংশ,
সময়সীমা: ১৬ বছর, মোট বিনিয়োগ: ৮৬.২৭ লক্ষ টাকা, আনুমানিক রিটার্ন: ১.২০ কোটি টাকা, মোট প্রাপ্তি: ২.০৬ কোটি টাকা।
5
6
রইল তুলনা: সাধারণ এসআইপি-তে যেখানে ২১ বছর লাগছিল, সেখানে স্টেপ-আপ এসআইপি-তে মাত্র ১৬ বছরেই কোটিপতি হওয়া সম্ভব হচ্ছে! অর্থাৎ ৫ বছর আগেই লক্ষ্যপূরণ হচ্ছে।
6
6
জরুরি টিপস: যত দ্রুত সম্ভব বিনিয়োগ শুরু করুন- যত দেরি ততই কম্পাউন্ডিং-এর সুবিধা কমবে। ২০ বছর বয়সে বিনিয়োগ শুরু করা আর ৩০ বছর বয়সে শুরু করার মধ্যে কয়েক কোটি টাকার ফারাক হয়ে যায়। ধৈর্য ধরতে হবে, শেয়ার বাজারের ওঠানামায় ভয় পেয়ে এসআইপি বন্ধ না করে অপেক্ষা করুন। স্টেপ-আপ করুন- বেতন বাড়লে বা বোনাস পেলে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে, এতে লক্ষ্য পূরণ সহজ হয়।