আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিলজলার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাড়ল মৃতের সংখ্যা। আগেই মৃত্যু হয়েছিল দু'জনের। চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজে আহত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মহম্মদ ইবরার। মৃত্যু হয়েছে বছর ৩৭-এর ওই যুবকের। তিলজলা কাণ্ডে মৃত বেড়ে ৩।
তিলজলার ওই বিল্ডিংয়ে লেদার কোম্পানি ছিল। তারই দোতালায় আগুন লাগে। দুপুর পৌনে ২টো নাগাদ আগুন লাগে বলে জানা যায়। এরপরে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের দু'টি ইঞ্জিন পৌঁছয়। দমকর্মীদের তৎপরতায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ৫ জনকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দু'দিকে গেট আছে, গেটের মুখে। বেরনোর মতো পজিশন ছিল না। দু'খানা দরজার পাশেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরেই কড়া বার্তা দেয় রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘটনার পরেই সাফ জানান, একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ প্রসঙ্গে। ১৩ তারিখেই তিনি সাফ জানিয়ে দেন, -'কমিটির রিপোর্টে যা পাওয়া গিয়েছে, তা আমাদের রাজ্য বা কলকাতার ক্ষেত্রে অশনি সংকেত। কোনও বিল্ডিং পরিকল্পনা নেই। অসঙ্গতি একাধিক ক্ষেত্রে। সম্পূর্ণ অবৈধ। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে।' সঙ্গেই জানান-'অবৈধ কারখানার মালিক, তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে স্থায়ীভাবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিএসসি-কে বিদ্যুৎ সচিবের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সমস্ত অবৈধ কারখানার দ্রুত ইন্টারন্যাল বডি গঠন করে, সেসব জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তিলজলার অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে একদিনের মধ্যেই। এই ধরনের অবৈধ, বিপদজনক কারখানাগুলি থেকে জল বিচ্ছিন্ন করতে হবে।'
তারপরেই ওই নির্দিষ্ট এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজও শুরু হয়। যদিও ভাঙার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল আদালতে। তারপরেই আদালত ওই বাড়ি ভাঙার ক্ষেত্রে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত সাফ জানায়, বড়ি ভাঙতে হবে আইন মেনেই।
উল্লেখ্য, বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার অভিযোগে পার্ক সার্কাসে সেভেন পয়েন্টের ক্রসিংয়ে অবরোধ করে স্থানীয়রা। পুলিশ বাধা দিলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চালায় পুলিশ। অভিযোগ পালটা পুলিশের দিকে ইট ছোড়ে আন্দোলনকারীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।















