আজকাল ওয়েবডেস্ক: যুদ্ধের ময়দানে অস্ত্র সুরক্ষিত রাখা এক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। বিশেষ করে আগেকার দিনে, যখন অস্ত্রের ওপর জল, কাদা কিংবা আর্দ্রতার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ছিল অনেক বেশি। সেই সময় অস্ত্রের ক্ষয়রোধ করতে নেওয়া হত এক আশ্চর্য পদ্ধতি। ব্যবহার করা হত কন্ডোম। এই পদ্ধতি একটা দুটো নয়, বরং বহু যুদ্ধে বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়েছে। এমনকি, এই টেকনিক সফলও হয়েছে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই কৌশল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
বিশেষত, সেনারা রাইফেলের ব্যারেল অংশকে জল ও কাদা থেকে রক্ষা করতে কন্ডোম ব্যবহার করতেন। এতে রাইফেল দীর্ঘ সময় কার্যক্ষম থাকত এবং যুদ্ধে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যেত। শুধু সেনাবাহিনী নয়, ভারতীয় নৌসেনাও একই যুদ্ধে কন্ডোম ব্যবহার করেছিল লিমপেট মাইন স্থাপনের সময়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—এই কৌশল দুই ক্ষেত্রেই সফল হয়েছিল। তবে এই অভিনব পদ্ধতির ইতিহাস আরও পুরনো।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও কন্ডোম ব্যবহার করা হত অস্ত্র সুরক্ষার জন্য। তখনকার সৈন্যদের জঙ্গল বা কাদাযুক্ত এলাকায় যুদ্ধ করতে হত। সেসব জায়গায় অস্ত্রের মুখ ভিজে গিয়ে বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সে কারণেই রাইফেলের ওপরের অংশ ঢেকে দেওয়া হত কন্ডোম দিয়ে। যাতে জল বা কাদা ভিতরে না ঢোকে। তবে বর্তমান যুগে অস্ত্র অনেক আধুনিক এবং আবহাওয়া বিরোধী উপাদানে তৈরি হয়। ফলে, আগের মতো করে কন্ডোম দিয়ে অস্ত্র ঢাকার প্রয়োজন আর হয় না। তবে গেরিলা বাহিনী বা সীমিত অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে গেলে সেক্ষেত্রে এখনও এই পুরনো কৌশল ব্যবহৃত হতে পারে।
