আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রতিরক্ষা পরিষদের বৈঠক চলাকালীন বিমান হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর। এমনটাই জানা গিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম সেখানকার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সূত্রে। জানা গিয়েছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আব্দোলরহিম মুসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ।
মৃত্যু হয়েছে ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের প্রধান এবং দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানিরও। যদিও রবিবার সকালে ইরান তাঁর মৃত্যুর খবর আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল।
তবে কোন এয়ার স্ট্রাইকে প্রতিরক্ষা বিভাগের শীর্ষ আধিকারিকদের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য জানায়নি ইরান। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে রাজধানী তেহরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু হয়।
তাতেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। নিহত হয়েছেন তিনি। এমনটাই দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নেতানিয়াহুও কয়েক ঘণ্টা আগেই জানিয়েছিলেন, খামেনেইয়ের নিহত হওয়ার লক্ষণ রয়েছে একাধিক। তার পরেই ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ ন্তার মৃত্যুর বিষয়টি।
একাধিক আন্তর্জাতিক এবং সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর তেমনটাই। একই সঙ্গে সূত্রের খবর, খামেনেইয়ের মৃত্যুতে টানা ৪০ দিন রাষ্ট্রীয় শোক ইরানে।
রবিবার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ডেলি ইরান নিউজের পোস্ট অনুযায়ী, খামেনেইয়ের সঙ্গে নিহত হয়েছেন তাঁর পরামর্শদাতা আলি শামখানিও।
একাধিক সূত্রের তথ্য, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি আইআরজিসির নতুন কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। খামেনেইয়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লিখেছেন, 'ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তিদের একজন, খামেনেই।' তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় লিখে, ট্রাম্প ইরান এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রতিও বার্তা দিয়েছেন।
লিখেছেন, কেবল ইরানের জনগণের জন্য নয়, বরং সমস্ত আমেরিকানদের জন্য এবং বিশ্বের অনেক দেশের সেইসব মানুষের জন্য, যাঁরা খামেনেই কিংবা তাঁর বাহিনীর দ্বারা আহত, নিহত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি ন্যায়বিচার হয়েছে।
