আজকাল ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘ সাত বছর পর ফের চিনের মাটিতে পা রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ লাল কার্পেট বিছিয়ে তাঁকে স্বাগত জানালেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। 

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ আর পরমাণু অস্ত্র নিয়ে টানাপড়েনের মাঝেই এই বৈঠক ঘিরে চড়ছে পারদ। জিনপিংকে ‘বন্ধু’ সম্বোধন করে ট্রাম্প বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক এখন আগের চেয়েও ভালো হবে। আপনার সঙ্গে থাকাটা আমার কাছে সম্মানের।” পাল্টা সৌজন্যের বার্তা দিয়েছেন জিনপিংও। তাঁর কথায়, “চিন আর আমেরিকার মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলে গোটা বিশ্বেরই ভালো হবে। সংঘাত কারও কাম্য নয়।”

এবারের সফরে ট্রাম্প একা আসেননি। তাঁর সঙ্গে এসেছেন এলন মাস্ক, টিম কুক আর জেনসেন হুয়াংয়ের মতো তাবড় শিল্পপতিরা। লক্ষ্য একটাই- মার্কিন ব্যবসার উন্নত করা। 

পাশাপাশি, চিনের পরমাণু শক্তি বাড়ানোর হিড়িক নিয়েও কথা বলতে চান ট্রাম্প। অভিযোগ, পরমাণু অস্ত্র তৈরির কারখানা বানাতে গ্রাম পর্যন্ত খালি করে দিচ্ছে চিন।

তবে শুধু বাণিজ্য নয়, ট্রাম্পের এই সফরের নেপথ্যে রয়েছে ইরান যুদ্ধও। জল্পনা চলছে আমেরিকা কি তবে এবার অবরোধ তুলে নেবে হরমুজ থেক? একদিকে সংঘাত নিয়ে নাজেহাল ট্রাম্প প্রশাসন, অন্যদিকে আমেরিকার সেনেটে তাঁর সামরিক ক্ষমতা কমানোর চেষ্টা চলছে। যদিও সেই চেষ্টা এবারও সফল হয়নি। 

এরই মধ্যে খবর রটেছে, ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নাকি গোপনে আরব আমিরশাহি সফর করেছেন। তবে আমিরশাহি সেই খবর উড়িয়ে দিয়েছে।

আগামী কয়েক দিন ট্রাম্প আর জিনপিং অনেকটা সময় একসঙ্গেই কাটাবেন। আলোচনার ফাঁকে দু’জনে ইউনেস্কোর হেরিটেজ সাইট ‘টেম্পল অব হেভেন’ দেখতে যাবেন। বৃহস্পতিবার রাতে রয়েছে রাজকীয় ভোজ। এমনকী শুক্রবারও দুই রাষ্ট্রপ্রধান একসঙ্গে প্রাতরাশ আর মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেবেন।