আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত সপ্তাহে তিনটি অস্ট্রেলিয়ার স্যাটেলাইট সূর্যের বেশ কয়েকটি পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। এরপর তারা জানিয়েছেন, সূর্য বর্তমানে অনেক বেশি আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে। তার তাপমাত্রা যেন সে অনেক বেশি বিকিরণ করে দিতে চাইছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে সমগ্র ছায়াপথ এবং পৃথিবীর উপর। প্রতিদিন ধীরে ধীরে সূর্য যেন নিজেকে আরও সক্রিয় করে দিতে চাইছে।
সূর্যের এই বাড়তি বিকিরণ গোটা পৃথিবীর উপর বিশেষ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তবে দ্রুত সূর্য যদি নিজেকে শেষ করে দিতে চায় তাহলে তার গ্যাসের মাপও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। আসলে সূর্যের মত শক্তিশালী নক্ষত্রের মধ্যে যেভাবে প্রতিনিয়ত ঝড় উঠছে তাতে তার শক্তি কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে সূর্যের এই ঝড় গোটা বায়ুমন্ডলে বাড়তি প্রভাব বিস্তার করবে। এরফলে একটি চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হবে। পৃথিবী সহ যত গ্রহ সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করছে তারা সকলেই প্রভাবিত হবে।
তবে সূর্যের এই কাজ সৌরমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করবে শুধু নয়। পৃথিবীর কাছেও এটি মোটেই সুখকর নয়। প্রতি ১০ বছর অন্তর পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও বাড়বে। ফলে পৃথিবীর বায়ুমন্ডল যেভাবে প্রভাবিত হবে তাতে গোটা মানবজাতি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই মনে করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিগত ২ দশকে সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রাও বেড়েছে।
তবে এবার যদি ফের নতুন করে সূর্যের তাপমাত্রা বাড়ে তাহলে সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মহাকাশে ভেসে থাকা স্যাটেলাইটগুলি। সূর্যের বাড়তি এই তাপ সহ্য করতে পারবে না তারা। এগুলি যদি নিজের কাজ ঠিকভাবে করতে না পারে তখনই বুঝতে হবে সূর্যের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছে। এর থেকে মুক্তির কোনও উপায় দেখছেন না বিজ্ঞানীরা। তারা ক্রমেই এবিষয়ে চিন্তাপ্রকাশ করেছেন।
