আজকাল ওয়েবডেস্ক: এই প্রথম নয়! আমেরিকার হিল্টন হোটেলে এর আগেও চলেছে গুলি চালনার ঘটনা। নিশানায় ছিল আরও এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শনিবার রাতের ঘটনার পরই প্রকাশ্যে এসেছে সেই তথ্য। ৪৫ বছর আগের এক দিনের ঘটনা স্মরণ করেছেন অনেকেই।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আচমকা এই আক্রমণ মনে করিয়ে দেয় ১৯৮১ সালের ৩০ মার্চের কথা। ওয়াশিংটনের একই হোটেলে সেদিন হামলার ঘটনা ঘটে। আততায়ীর হামলার শিকার হন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান। হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই তাঁকে হামলা করেন ওই আততায়ী। গুলিটি লাগে প্রথমে তাঁর লিমুজিন গাড়িতে। এর পর গাড়িতে ধাক্কা লেগে রেগানের বুকে এসে লাগে ওই গুলি। ঘটনার আকস্মিকতায় প্রথমে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেননি। এর পর কাশির সঙ্গে রক্ত বেরোচ্ছে দেখে তাঁকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১২ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে তিনি ওয়াইট হাউসে ফের কাজে যোগ দেন। ওই ঘটনায় আক্রান্ত হন আরও তিনজন। তাঁর প্রেস সেক্রেটারি জেমস ব্রেডি, সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট টিমোথি ম্যাকার্থি এবং পুলিশ অফিসার টিমোথি ম্যাকার্থি।
শনিবারের রাতে হোয়াইট হাউসেমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে চলছিল নৈশভোজের অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন মোট ২৬০০ অতিথি। ঘটনাস্থলে ছিলেন সাংবাদিক, অভিনেতা-সহ অনেকে। ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স-সহ একাধিক মার্কিন উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও নেতা। তার মাঝেই এক বন্দুকবাজের হামলায় হুলস্থুল পড়ে যায়। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এ বিষয়ে পোস্ট করে লেখেন, " ৫০ গজ দূর থেকে ছুটে আসে ওই আততায়ী। ঘরের নিরাপত্তায় কোনও ফাঁকি ছিল না। কিন্তু হঠাৎই অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনও ভাবে ঘটনাস্থলে ঢুকে পড়ে একাধিক অস্ত্র নিয়ে।" প্রেসিডেন্টকে প্রাণে বাঁচাতে নিরাপত্তা আধিকারিকেরা সক্রিয় হয়ে উঠলে শুরু হয় ধ্বস্তাধ্বস্তি। প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক তাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে আততায়ীকে তাক করেও গুলি চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। ট্রাম্পের দাবি, বুলেটনিরোধক বর্ম পরে থাকায় তিনি একেবারেই ক্ষতিগ্রস্ত হননি। সুস্থ তাঁর স্ত্রী-সহ বাকিরাও।
বিগত বছরগুলিতে হোটেলের অন্দরমহলে কিছু পরিবর্তন এসেছে। তবে আবারও হোটেলের নিরাপত্তা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।















