আজকাল ওয়েবডেস্ক: পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন উপজাতির বসবাস। এই রকমই একটা উপজাতির নাম হিম্বা। এদের বাসস্থান নামিবিয়ায়। শেষ আধা-যাযাবর উপজাতি বললে এদের নামই সামনে আসে। এদের সংখ্যা আনুমানিক প্রায় ৫০ হাজার। আজকের প্রতিবেদন তাদের জীবনযাত্রা নিয়ে।
কেন বলা হয় তাদের আধা-যাযাবর? কারণ তাদের নিজস্ব বাড়ি থাকলেও বৃষ্টিপাত বা জলের অভাবের কারণে তাদের স্থানান্তরিত হতে হয়। এরা বাস করেন মূলত মরুভূমি অঞ্চলে। হিম্বা উপজাতির মহিলারা অত্যন্ত পরিশ্রমী। তারা পুরুষদের চেয়ে অনেক বেশি কাজ করে, যার মধ্যে রয়েছে পশুপালন, রান্না করা, ঘর গোছানো এবং শিশুদের যত্ন নেওয়ার মতো গৃহস্থালির কাজ। হিম্বা মানুষের জীবনধারা মূল নামিবিয়ার সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন।
এই উপজাতির মহিলারা পর্যটকদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় এবং সেটা করেন স্বামীদের সম্মতিতেই। যৌনতার জন্য তাদের স্ত্রীদের পর্যটকদের হাতে তুলে দেওয়াকে সর্বোকৃষ্ট আতিথেয়তা হিসাবে বিবেচিত করা হয়। হিম্বা উপজাতিরও স্ত্রী অদলবদলের একটি ঐতিহ্য রয়েছে, এটা বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। এখানে পুরুষরা তাদের স্ত্রীদের অচেনা পুরুষদের সঙ্গে রাত কাটাতে দেন। যৌনতা নিয়ে নেই কোনও ছুৎমার্গ।
শুধু তাই নয়, হিম্বা উপজাতির পুরুষদের একাধিক স্ত্রী থাকা খুব সাধারণ ব্যাপার। জনসংখ্যার উপর করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে হিম্বা পুরুষদের ৭০ শতাংশেরও বেশি অন্তত একটি সন্তান লালন-পালন করে, যার বাবা, অন্য কেউ। তা সত্ত্বেও, তারা তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে সুখে থাকে। হিম্বা নারীদের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ করা খুবই সহজ। এই উপজাতিতে, বিয়ের বাইরে জন্ম বা বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ককে ভাল চোখেই দেখা হয় এবং প্রতিটি সন্তানেরই একজন সামাজিক পিতা থাকে তাকে বড় করার জন্য। শুধু তাই নয়, কোনও অতিথি বা অপরিচিত পুরুষ যখন স্ত্রীর সঙ্গে ঘুমান, তখন ওই নারীর স্বামী অন্য ঘরে রাত কাটাবেন বলেই রীতি।
















