আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফেব্রুয়ারির শেষে শুরু হওয়া যুদ্ধ দ্বিতীয় মাসে গড়াতেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল ইরান। মিনাব শহরের একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় দুই মার্কিন নৌসেনা আধিকারিককে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করাল তেহরান। ওই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় ১৭৫ জন।
ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নাইজেরিয়ায় থাকা ইরানের দূতাবাসগুলি ইতিমধ্যেই ওই দুই অফিসারের ছবি ও নাম প্রকাশ করেছে। তাঁরা হলেন- মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস স্প্রুয়েন্স’-এর কমান্ডিং অফিসার লি আর টেট এবং এগ্জিকিউটিভ অফিসার জেফরি ই ইয়র্ক। ইরানের দাবি, এই দু’জনের নির্দেশেই তিনটি ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল, যা আছড়ে পড়ে ইরানের ওই স্কুলে।
সমাজমাধ্যমে দুই অফিসারকে ‘অপরাধী’ বলে দেগে দিয়েছে ইরানি দূতাবাসগুলি। তাদের দাবি, মৃতদের মধ্যে ১৬৮ জনই শিশু। প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই অফিসারদের কি নিজেদের সন্তান নেই? তাঁরা কীভাবে এই হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করছেন?
জেনেভায় এক সভায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ওই স্কুলে হামলা চালানো হয়। অন্য দিকে, আমেরিকার সামরিক তদন্তে দাবি করা হয়েছে, এটি একটি ‘ভুল’। তাদের দাবি, পুরনো মানচিত্র ও ভুল তথ্যের কারণে পাশের একটি সামরিক ঘাঁটির বদলে ক্ষেপণাস্ত্রটি স্কুলে গিয়ে পড়ে।
ওয়াশিংটন জানাচ্ছে, তদন্ত এখনও চলছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, এই ঘটনার জন্য ইরান নিজেও দায়ী হতে পারে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় হামলার ভিডিও প্রকাশ করে আমেরিকাকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলছে ইরান। সব মিলিয়ে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই সংঘাত এখন চরম আকার নিয়েছে।














