আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকার ঐতিহাসিক শান্তি বৈঠক শেষ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোনও সমাধান ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে। আর আলোচনা ব্যর্থ হতেই তেহরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানকে ‘শেষ’ করতে মার্কিন সেনা এবার চূড়ান্ত অভিযান চালাবে।
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে এত উঁচু স্তরে আলোচনা হয়েছিল। রবিবারের এই বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর নতুন করে যুদ্ধের মেঘ ঘনিয়েছে। এর জেরে বিশেষজ্ঞ মহল দুই পক্ষকেই আপাতত শান্ত থাকার এবং কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের অনুরোধ জানিয়েছেন।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান ছাড়ার সময় জানিয়ে দেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে তেহরানকে ‘শেষ এবং সেরা’ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ইসলামাবাদে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে আলোচনা চললেও পরমাণু ইস্যুতে জট কাটেনি।
ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের ঘোষণা- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মার্কিন নৌবাহিনী দ্রুত হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে অবরোধ শুরু করবে। ট্রাম্পের কথায়, "বৈঠক ভালোই হয়েছিল, অনেক বিষয়েই আমরা একমত হয়েছিলাম। কিন্তু যেটা আসল বিষয়- অর্থাৎ পরমাণু সমস্যা- সেখানে কোনও কথা শোনেনি ইরান। তাই অবিলম্বে হরমুজ প্রণালীতে সব জাহাজ আটকাবে আমাদের নৌসেনা।"
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের আতিথেয়তায় চলা এই বৈঠকের খুঁটিনাটি ট্রাম্প জেনেছেন তাঁর প্রতিনিধি দলের কাছে। ট্রাম্পের সাফ কথা, ইরান তাদের পরমাণু জেদ ছাড়তে রাজি নয়। তিনি লেখেন, "এমন অস্থির ও জেদি মানুষের হাতে পরমাণু শক্তি থাকতে দেওয়া যায় না। অন্য কোনও সমঝোতাই এর চেয়ে বড় নয়। ইরান কোনওদিনও পরমাণু অস্ত্র হাতে পাবে না।"
আমেরিকা চেয়েছিল জাহাজ চলাচলের পথ পুরোপুরি অবাধ করতে। কিন্তু ইরান তাতে বাগড়া দেওয়ায় শেষমেশ যুদ্ধের দামামাই বাজিয়ে দিলেন ট্রাম্প।















