আজকাল ওয়েবডেস্ক: বহুদিন ধরেই চিন বিকল্প শক্তির দিকে নজর দিয়েছে। তারা এই কাজকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। 


চিন এই খোঁজ করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে এমন কিছু পেয়ছে যা হাইড্রোজেনের থেকেও দামি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের বাজারকে এবার হয়তো নিজের আয়ত্ত্বে নিয়ে ফেলবে চিন। সেখানে বাকি তেলের প্রতিষ্ঠানগুলি পিছিয়ে পড়বে। চিন নিজের সমুদ্রের নিচ থেকে এমন গ্যাসের একটি ভাণ্ডার পেয়েছে যে তা দিয়ে তারা বছরের পর বছর ধরে নিজেদের চাহিদা মেটাতে পারবে। পাশাপাশি এই গ্যাস তারা বিদেশের বাজারেও রপ্তানি করতে পারবে।


বহু বছর ধরেই তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস বিশ্বকে সরবরাহ করছে চিন। ফলে বিশ্বের বাজারে তাদের অনেকটা জোর রয়েছে। এবার তারা সমুদ্রের নিচ থেকে গ্যাস তোলার কাজ শুরু করবে। ইতিমধ্যে সমুদ্রের নিচে তারা একটি স্টেশন তৈরি করার চেষ্টা করছে। দ্রুত এই স্টেশন তৈরি করে তারা সেখান থেকে নিজেদের কাজ শুরু করবে। 

 


চিনের সঙ্গে বরাবরই বিরোধ করেছে আমেরিকা। ফলে চিন যদি এবার এই কাজটি শেষ করতে পারে তাহলে আমেরিকার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটবে। চিন এই গ্যাসকে তোলার কাজটি তাদের সেনার হাতে দিয়েছে। তারা এই কাজটি শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত যে খবর মিলেছে তা থেকে দেখা যায় চিন সমুদ্রের নিচে প্রায় ১০ হাজার মিটার একটি কুঁয়ো তৈরি করবে। সেখান থেকেই তারা সমুদ্রের নিচ থেকে গ্যাস তোলার কাজ শুরু করে দেবে। ফলে গ্যাস উৎপাদনে পৃথিবীতে চিনের বিকল্প হিসেবে আর কেউ থাকবে না।

 


বিশ্বের পশ্চিমী দেশগুলিকে বিরাট চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে চিন। ফলে সেই দেশগুলি চিনের কাছ থেকে এই গ্যাস কিনতে বাধ্য হবে। এই গ্যাসের ভান্ডার এতটাই রয়েছে যে আগামী ১০০ বছরেও শেষ হবে না। সেখানে চিনের কাছে মাথা নত করতে হবে বিশ্বের বাকি দেশগুলিকে।