আজকাল ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠা হারিয়েছে নেলসন ম্যান্ডেলার দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবিদ্বেষের পতন ঘটানোর পর থেকে তিন দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা এএনসির এখন জোট সরকার গঠন করতে হবে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলেও দিনে দিনে তাদের সমর্থন কমতে থাকে। বেকারত্ব, দারিদ্র্যসহ নানা কারণে এএনসির প্রতি সমর্থন কমে যায় বলে মনে করা হয়।
শনিবার ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, এএনসি ৪০ শতাংশের কিছু বেশি ভোট পেয়েছে। যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া থেকে অনেক কম। নিয়ম অনুযায়ী, একক দলের সরকার গঠন করতে হলে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হবে। বাকি যে ১ শতাংশ ভোট গণনা বাকি আছে, তাতে এই পরিমাণ ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
ভোটের এমন ফলাফলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা জন স্টেনহুইসেন বলেছেন, দেশকে বাঁচাতে এএনসির সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভাঙার প্রয়োজন ছিল। আমরা তা করতে পেরেছি। তাঁর দল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স পার্টি (ডিএপি) ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে, জ্যাকব জুমার গঠিত নতুন দল এমকে পার্টি পেয়েছে ১৪ শতাংশ ভোট। একসময় এএনসিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুমা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে নিজেই দল গঠন করেন।
জুমার দল ১৪ শতাংশ ভোট পাওয়ার কারণেই মূলত এএনসি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
শনিবার ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, এএনসি ৪০ শতাংশের কিছু বেশি ভোট পেয়েছে। যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া থেকে অনেক কম। নিয়ম অনুযায়ী, একক দলের সরকার গঠন করতে হলে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হবে। বাকি যে ১ শতাংশ ভোট গণনা বাকি আছে, তাতে এই পরিমাণ ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
ভোটের এমন ফলাফলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা জন স্টেনহুইসেন বলেছেন, দেশকে বাঁচাতে এএনসির সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভাঙার প্রয়োজন ছিল। আমরা তা করতে পেরেছি। তাঁর দল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স পার্টি (ডিএপি) ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে, জ্যাকব জুমার গঠিত নতুন দল এমকে পার্টি পেয়েছে ১৪ শতাংশ ভোট। একসময় এএনসিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জুমা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে নিজেই দল গঠন করেন।
জুমার দল ১৪ শতাংশ ভোট পাওয়ার কারণেই মূলত এএনসি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
















