আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার সোমনাথ মন্দিরের বর্ষপূর্তির মহোৎসবে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে বিরোধীদের ‘তোষণ রাজনীতি’ নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন তিনি।

গুজরাটের গির-এ আয়োজিত হয়েছে এই অনুষ্ঠান। সেখান থেকে তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর জওহরলাল নেহরু সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণে বাধা দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে দেশের ‘আত্মমর্যাদা’র লড়াইয়ের কথা। তিনি বলেন, “আমাদের দেশে জাতীয় গর্বের বিষয় নিয়েও রাজনীতি হয়, যার বড় উদাহরণ এই সোমনাথ।” 

একইসঙ্গে মোদি মনে করিয়ে দেন, স্বাধীনতার পর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং রাজেন্দ্র প্রসাদ যখন মন্দির সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহরু তার বিরোধিতা করেছিলেন। 

রামমন্দির আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, “আমরা রামমন্দির তৈরির সময়ও দেখেছি কী ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। আজও সেই অশুভ শক্তিগুলো সক্রিয়।” তাঁর বার্তা, ঐতিহ্য আর উন্নয়নকে সঙ্গী করেই দেশকে এগোতে হবে।

সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণের ৭৫ বছর উপলক্ষে জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। মূল অনুষ্ঠানের আগে গির সোমনাথে একটি বর্ণাঢ্য রোড-শো-তেও অংশ নেন তিনি। 

জনসভা থেকে কংগ্রেসকে নজিরবিহীন আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাত শিবিরকে সরাসরি ‘পরাশ্রয়ী’ (প্যারাসাইটিক) আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই দল শুধু মিত্রপক্ষকে ঠকানো আর আঞ্চলিক দলগুলোর ওপর ভর করে টিকে থাকতেই জানে।

তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আবহে মোদির এই মন্তব্য যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ। সেখানে ডিএমকে-র সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট লড়লেও, সরকার গড়ার সময় অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয়ের দল ‘তামিলগা ভেট্রি কড়গম’ (টিভিকে)-এর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কংগ্রেস। রবিবার চেন্নাইয়ে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে সশরীরে হাজির ছিলেন রাহুল গান্ধিও।