আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া চালু হওয়ার পর থেকেই নেটমাধ্যমে চালু হয়েছে মিম। যা বিভিন্ন ভাবে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে ব্যবহারকারীদের মধ্যে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিমের ছড়াছড়ি ঘটেছে নেটমাধ্যমে। কিন্তু সবকিছুর মধ্যেও নিজের জায়গা ধরে রেখেছে পাকালু পাপিতো। মিম এসেছে, মিম গেছে, কিন্তু পাকালু পাপিতোর জনপ্রিয়তা কমেনি। ২০১৩ সালে সাবেক টুইটারে (বর্তমান এক্স) আত্মপ্রকাশ ঘটে পাকালু পাপিতোর। খুব অল্প সময়েই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে পাকালু পাপিতোর মিম। পাকালু পাপিতোর চরিত্রটি এক সাধারণ ভারতীয় ক্লার্কের মত করে সাজানো।

 

যে কিনা নিজের কাজকে ভালবাসেনা, নিজেকে অকর্মণ্য ভাবে। নিজেই যেভাবে নিজের মজা ওড়ায় সেই মিম ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছিল খুব অল্পদিনেই। ধারণা ছিল, পাকালু পাপিতোর চরিত্রটি ভারতেরই কেউ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আসলে কে এটি চালান বা আদৌ এরকম কোনও ব্যক্তির অস্তিত্ব আছে কিনা তা নিয়ে মাথাব্যথা ছিল না কারোর। পাকালু পাপিতোর মুখটাই অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে নেটিজেনদের কাছে। এর মধ্যেই সামনে আসে আরও একটি তত্ত্ব। জল্পনা ছড়ায়, পাকালু পাপিতোর মুখ আসলে ভারতের আইআইটি-কানপুরের এক অধ্যাপক ওম প্রকাশের।

 

কিন্তু ২০১৮ সালে পাকালু পাপিতোর সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেই গল্পে আসে নতুন মোড়। পাকালুর চরিত্রটি আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আসে জেভিয়ার বা জেভিয়ার আঙ্কেল নামে। দুই চরিত্রটি দেখতে একই রকম। কিন্তু নেটিজেনদের মতে পাকালুর উত্তরসূরি হচ্ছেন জেভিয়ার। পাকালু পাপিতো যেভাবে মিমের মাধ্যমে হাস্যরস ছড়িয়েছিল ঠিক একইভাবে জেভিয়ার চরিত্রটিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের আলোড়ন তুলেছে। কিন্তু আসলে এই ব্যক্তিটি কে বা এই অ্যাকাউন্ট চালান তার সমাধান আজও করা যায়নি।