আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইন্দোর ভিক্ষুক উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। এই অভিযানের সময়েই মঙ্গিলাল নামের এক ভিক্ষুকের খোঁজ মিলেছে। মঙ্গলিল ভিক্ষা করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ তৈরি করেছেন। সরকার জানতে পেরেছে যে, ইন্দোর শহরের বিভিন্ন  প্রান্তে মঙ্গলিলের তিনটি পাকা বাড়ি রয়েছে। এমনকী তিনি দুস্থদের ঋণও দে!

রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন দল মঙ্গলিলকে শনাক্ত করেছে। তারপর থেকেই এই ভিক্ষুক ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভিক্ষুক মঙ্গিলাল মধ্যপ্রদেশ সরকার এবং রেড ক্রসের যৌথ উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি ওয়ামন বিএইচকে ফ্ল্যাটেরও সুবিধাভোগী। তবে, তিনি ভিক্ষা করা বন্ধ করেননি। একটি কাঠের কার্ড ব্যবহার করে ইন্দোরের রাস্তায় নিয়মিত ভিক্ষা করেন মঙ্গলিল।

আরও জানা গিয়েছে যে, মঙ্গিলালের তিনটি অটোও রয়েছে। সেগুলো তিনি ভাড়া দেন। এছাড়াও, তার একটি মারুতি সুজুকি ডিজায়ার গাড়ি আছে। এই গাড়ি তিনি ভাড়ার কাজে ব্যবহার করেন। তাঁর আবাসিক সম্পত্তির মধ্যে ইন্দোরের ভগত সিং নগর, শিবনগর এবং আলওয়াসে তিনটি তিনতলা করে বাড়ি রয়েছে।

গাড়ি এবং অটো ভাড়া দেওয়ার পাশাপাশি, মঙ্গিলাল ইন্দোরের সরফা বাজার এলাকার লোকদের সুদের বিনিময়ে ঋণ দিয়েও অর্থ উপার্জন করেন। তিনি নিয়মিত সরফায় যান এবং মানুষের কাছ থেকে ৪০০-৫০০ টাকা সংগ্রহ করেন, যার ফলে তিনি সেখানে একটি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।

মঙ্গিলালকে শনাক্ত করার পর জেলা নোডাল অফিসার সংবাদ মাধ্যমকে জানান যে, বেশ কয়েকজন এই ভিক্ষুকের বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিল। ফলস্বরূপ, নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের দল তাঁকে শনাক্ত করে।

এদিকে, জেলা প্রোগ্রাম অফিসার রাজীশ সিনহা বলেছেন যে রাজ্য প্রশাসন ভিক্ষুক তাড়াতে কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখবে। এমনকী যারা ভিক্ষাবৃত্তিকে উৎসাহিত করবে বা এর সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ করবে।