আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘরের মধ্যেই উদ্দাম যৌনতা মায়ের। ছেলে দেখে ফেলেছিল। আর তাতেই দিতে হল প্রাণ। মধ্যপ্রদেশের পরে, একই ঘটনা বারাণসীতে। জানা গিয়েছে, সোনা শর্মাকে ফয়জান বলে এক যুবকের সঙ্গে নিজেদের ঘরেই আপত্তিকর অবস্থায় দেখে দশ বছরের ছেলে। ছেলে দেখে ফেলেছে বুঝতে পেরেই প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে চরম পদক্ষেপ বেছে নিল মা। 

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, রবিবার সুরজ তার মা এবং ফয়জানকে তাদের শোবার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে। প্রাথমিক তদন্তের পর, পুলিশের বক্তব্য, নাবালক তাদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করে দেবে এই ভয়ে অভিযুক্তরা তাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। 

আরও পড়ুন: স্কুটারে বেঁধে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেলেন যুবক! জানালেন 'শিশুদের কামড়াচ্ছিল', ভিডিও ভাইরালে তীব্র চাঞ্চল্য ...

জানা গিয়েছে, ওই কিশোরের মা এবং তার প্রেমিক পরিকল্পনা করেন। সোমবার সন্ধেয় বাওয়ান বিঘা মাঠের ঝোপের মধ্যে নিয়ে যায় এবং তার বন্ধু রশিদের সাহায্যে কিশোরকে শ্বাসরোধ করে খুন করে। অন্যদিকে, মা সোমবার রাতে রামনগর থানায় একটি নিখোঁজ প্রতিবেদন দায়ের করে। দাবি করে, তার সন্তানকে অপহরণ করা হয়েছে।

অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। মঙ্গলবার রাতে বাওয়ান বিঘার ঝোপ থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তখনই সন্দেহ জাগে সোনা শর্মার আচরণে। পুলিশ তাকে আটক করলে, সোনা ফয়জানের কথা জানিয়ে দেয়। পুলিশ মঙ্গলবার ফয়জানকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে সে পুলিশের বন্দুর ছিনিয়ে পালাবার চেষ্টা করেছিল বলেও জানা যায়।

 

এর আগে, সামনে এসেছিল মধ্যপ্রদেশের এক ঘটনা। স্বামীর ছোটবেলার বন্ধুর সঙ্গেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন এক যুবতী। বিষয়টি প্রথমে টের পেয়েছিল তাঁর মেয়ে। আপত্তিকর অবস্থায় বাবার বন্ধুর সঙ্গে মাকে দেখে ফেলেছিল সে। ঘটনার ভিডিও তুলে রেখেছিল। সেই ভিডিও দেখিয়েছিল বাবাকে। এরপরই গোটা পরিবার জানতে পারে বিষয়টি। 

বধূকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থাকে বেরিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলেন স্বামী। কিন্তু তাতে নারাজ ছিলেন বধূ। সেই সম্পর্ক ঘিরে অশান্তির মাঝেই ওই পরিবারের চারজন সদস্য একসঙ্গে আত্মহত্যা করলেন। সকলের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতেরা হলেন মনোহর লোধি (৪৫), তাঁর মা ফুলরানি (৭০), মেয়ে শিবানী (১৮) ও ১৬ বছরের এক কিশোর। ২৫ জুলাই গভীর রাতে বাড়িতেই চারজন সদস্য একসঙ্গে আত্মঘাতী হন। তাঁদের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। 

 

জানা গিয়েছিল, মনোহরের ছোটবেলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন সুরেন্দ্র। মনোহরের বাড়িতে তাঁর নিত্য যাতায়াত ছিল। সেই সুযোগেই মনোহরের স্ত্রী দ্রৌপদীর সঙ্গে সুরেন্দ্রর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। ক্রমেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বিষয়টি গোপন ছিল। মনোহরের অবর্তমানে প্রায়ই দ্রৌপদীর সঙ্গে দেখা করতে আসতেন সুরেন্দ্র।  

জানা গেছে, ফাঁকা বাড়িতে প্রায়ই তাঁরা যৌনতায় লিপ্ত হতেন। দিন কয়েক আগেই দু' জনকে একসঙ্গে অশ্লীল অবস্থায় দেখে ফেলেন দ্রৌপদীর মেয়ে। সেই মুহূর্তের ভিডিও তুলে রেখেছিলেন। এরপর সেই ভিডিও মনোহরকে দেখান শিবানী। এমন বিশ্বাসঘাতকতার পরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন মনোহর। ঘটনাটি কিছুদিনের মধ্যেই মনোহরের মা জানতে পারেন। যা ঘিরেই অশান্তি শুরু হয়। মা ও ছেলে পরিবারের সুনাম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাতেও ভেঙে পড়েছিলেন।