আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাবারে মারে বলে চিৎকার। রক্তারক্তি। বেঙ্গালুরুর এক বেসরকারি হাসপাতালে চরম গাফিলতির শিকার মাত্র ছয় মাসের এক শিশু। ব্যান্ডেজ কাটতে গিয়ে নার্সের কাঁচিতে ওই একরত্তির আঙুলের একাংশ কেটে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট নার্সের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
শহরের ইন্দিরানগর এলাকার চিন্ময় মিশন হাসপাতালের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই হুলুস্থুল চারিদিকে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জ্বর ও কাশি নিয়ে শিশুটিকে সেখানে ভর্তি করেছিলেন শিশুর পরিবারের সদস্যরা। পরিবার সূত্রে খবর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে ছুটি দেওয়ার কথা ছিল।
পরিবারের দাবি, যখন বিলিং কাউন্টারে ছুটির কাগজপত্রের কাজ চলছিল, তখন শিশুর হাতের চ্যানেল খোলার সময় বিপত্তি ঘটে। অভিযোগ, দায়িত্বরত নার্স অসতর্কভাবে কাঁচি চালাতে গিয়ে শিশুটির বাঁ হাতের কড়ে আঙুলের ডগা কেটে ফেলেন। যন্ত্রণায় চিৎকার শুরু করলে তড়িঘড়ি তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির আঙুলে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতালের পরিকাঠামো ও চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন শিশুর বাবা-মা। তাঁদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইন্দিরানগর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবারটি।
অন্যদিকে, হাসপাতালের বাইরে ভয়ঙ্কর দৃশ্য। পথকুকুরের মুখে মানুষের পায়ের টুকরো। পায়ের টুকরো মুখে নিয়ে হাসপাতালের আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল পথকুকুরটি। যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল গোটা এলাকায়। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়াতেও নিন্দার ঝড়।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে হিমাচল প্রদেশের সিমলা হাসপাতালে। সম্প্রতি এক সরকারি হাসপাতালের বাইরে কুকুরের মুখে মানুষের পায়ের টুকরো দেখা গেছে। হাসপাতালে বাইরে মানুষের পায়ের টুকরো মুখে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এক পথকুকুর। জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে সিমলার চামিয়ানার অটল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ওই হাসপাতালে ৬১ বছরের এক বৃদ্ধের অস্ত্রোপচারের পর পা বাদ গিয়েছিল। সেই পায়ের টুকরোটি স্টোর রুমে রাখা ছিল। সেটি ডিসপোজ করার কথা ছিল সাফাইকর্মীদের। গত ২২ ফেব্রুয়ারি সোমবার স্টোর রুমটি বন্ধ করতে ভুলে গিয়েছিলেন কর্মীরা। ঠিক সেই সময়েই এক পথকুকুর ওই ঘরে ঢুকে পায়ের টুকরো নিয়ে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওটি গত কয়েক দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাফাইকর্মীদের এবং সাফাইকর্মীদের সুপারভাইজারকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত জারি রয়েছে।
