আজকাল ওয়েবডেস্ক: একের পর এক দেহ উদ্ধার। স্থান প্রায় একই। উদ্ধার হওয়া দেহগুলির বেশিরভাগই পচাগলা। কোনওটটি হত্যা, কোনওটির কারণ এখনও অজানা। এই পর পর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চিন্তা বাড়ছে পুলিশের। রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বই-আহমেদাবাদ হাইওয়েতে উদ্ধার হয়েছে এক ব্যক্তির মৃতদেহ। ৪৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ওই ব্যক্তির পচাগলা দেহ ভিরারের কাছে একটি ময়লার ভ্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে নাকি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন তিনি তা এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পরে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। 

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ গত ১৬ দিনে এই রকম আরও পাঁচটি বেওয়ারিশ লাশ খুঁজে পেয়েছে। প্রত্যেকটি মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে মুম্বইয়ের বাসাই-বিহার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন চত্বরে। এদের মধ্যে এক মহিলার পচাগলা দেহও উদ্ধার করেছে পুলিশ। শ্রীভালি এলাকায় গত ২১ মার্চ উদ্ধার হয় ওই মহিলার দেহ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁর বর তাঁকে হত্যা করেছিলেন। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এই হত্যা। পরবর্তীতে ওই মহিলার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

ওই ঘটনার তিনদিন পরে এক পুরুষের মৃতদেহ ঠিক একইভাবে উদ্ধার হয়। এলাকার পুলিশ ওই ব্যক্তির হত্যা রহস্যের সমাধান করেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, অর্থনৈতিক সমস্যার জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারী পরিবারেরই একজন। বহুদিন আগে মৃত ব্যক্তি হত্যাকারীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নেন। কিন্তু ফিরিয়ে দেননি আর। পরিবারের ওই ব্যক্তি বহুবার টাকা ফেরত চেয়েও ফেরত পাননি। অবশেষে, বেছে নেন হত্যার পথ। এই ঘটনার তিন দিন পর, ছ’বছরের এক বাচ্চা মেয়ের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। ঘটনাটি ঘটে নালাসোপাড়ায়। মৃত্যুর কারণ এখনও অজানা। 

একইভাবে আরও দু’জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নর্দমা থেকে উদ্ধার হয় পরপর দুই মহিলার দেহ। পুলিশ এখনও তদন্ত চালাচ্ছে। পরপর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চিন্তা বাড়ছে পুলিশের।