আজকাল ওয়েবডেস্ক: শবরীমালা মন্দির থেকে সোনা চুরির ঘটনায় বড়সড় অগ্রগতি। পুলিশ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সোনা চুরির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে শবরীমালা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কন্দরারু রাজীবরুকে।

চুরির ঘটনায় তদন্ত করতে গঠন করা হয়েছিল বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। মন্দির চত্বর থেকে মূল্যবান সোনার গয়না নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই এই পদক্ষেপ নেয় সিটের সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগেই মন্দিরের ভিতরে সোনা চুরির বিষয়টি সামনে আসে। তার পরই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞাত একটি স্থানে কন্দরারু রাজীবরুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পরে বিকেলে তাঁকে সিটের দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা যাচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন বয়ানে অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর সেখানেই মন্দিরের প্রধান পুরোহিতকে গ্রেপ্তার করেন সিটের সদস্যরা।

সিটের দাবি, মূল অভিযুক্ত উনিকৃষ্ণন পট্টি এবং ত্রাভাঙ্কোর দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি পদ্মকুমারের দেওয়া বয়ানের ভিত্তিতেই রাজীবরুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, রাজীবরুর সঙ্গে উনিকৃষ্ণন পট্টির ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। পাশাপাশি, মন্দিরের দ্বারপালক (রক্ষক দেবতা) মূর্তির প্লেট এবং শ্রীকোভিলের (গর্ভগৃহ) দরজার ফ্রেমের সোনার প্লেট নতুন করে আবরণ করার সুপারিশও করেছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই ঘটনার তদন্তে এর আগেও একাধিকবার সিটের তরফে কন্দরারু রাজীবরুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। শবরীমালা মন্দিরের সোনায় মোড়া তামার পাত ও অন্যান্য ধাতব সামগ্রী মেরামত ও ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছিল।

অভিযোগ, মন্দিরের জিনিস ফেরত এলে দেখা যায় তাতে সোনার পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মেরামতির নাম করে মন্দিরের সোনা চুরি গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় সিট গঠন করে কেরল পুলিশ। তদন্তের পর সিট অভিযোগ আনে, প্রধান অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টিই মন্দিরের সোনা সরান।