আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাঞ্জাবের তরণ তরণ জেলায় শনিবার বিকেলে প্রকাশ্য রাস্তায় এক গৃহবধূকে লক্ষ্য করে গুলি। এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক এলাকায়। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই হাড়হিম করা মুহূর্ত। বর্তমানে অমৃতসরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন রুবি মেহরা নামের ওই তরুণী। ঠিক কী ঘটেছিল?

পুলিশ সূত্রের খবর, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ রুবি এক পরিচিতের সঙ্গে স্কুটারে যাচ্ছিলেন। সেই সময় পাট্টি শহরের গার্ডেন কলোনি এলাকায় তাঁদের পথ আটকায় করণ নামে এক যুবক। স্কুটার থেকে নেমেই রুবির সঙ্গে থাকা ব্যক্তিকে মারধর করতে শুরু করে সে। রুবি তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। উল্টে ওই তরুণী পালানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্ত করণ পিছন থেকে ধাওয়া করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর মাথায় গুলি চালায়। রুবি ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এর পরও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত।

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে একতরফা প্রেম ও। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত করণ এবং রুবি একই এলাকার বাসিন্দা। বিয়ের আগে থেকেই রুবিকে উত্যক্ত করত করণ। এদিকে কয়েকমাস আগে রুবির বিয়ে হয়। ভালবাসার মানুষের বিয়ে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না সে। সেই আক্রোশ থেকেই এই হামলা।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, যখন এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটছে, তখন রাস্তা দিয়ে বহু গাড়ি ও মানুষ যাতায়াত করলেও কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি। পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

অন্যদিকে, সাতপাক ঘুরে কনেকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন বর। কিন্তু মাঝরাস্তায় সেই আনন্দ বদলে গেল হাড়হিম আতঙ্কে। ওড়িশার বোলাঙ্গির জেলায় খোদ বরের কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে নববধূকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই তরুণীর প্রাক্তন প্রেমিক বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, বোলাঙ্গিরের বাসিন্দা হরিণবন্ধু প্যাটেল কান্তামালে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন। রবিবার ভোরে অনুষ্ঠান সেরে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। গাড়িতে পরিবারের অন্য সদস্যরাও ছিলেন। অভিযোগ, বড়াবান্ধার কাছে একটি নির্জন রাস্তায় আচমকাই তিনটি যুবক তাঁদের গাড়ি আটকায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিযুক্তরা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে সরাসরি বরকে হুমকি দিতে শুরু করে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে দেখে বাধা দেওয়ার সাহস পাননি উপস্থিত কেউই। মুহূর্তের মধ্যে কনেকে নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। অসহায় অবস্থায় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন পরিজনরা।

এরপরই তরভা থানায় গিয়ে ঘটনার বিবরণ দেন হরিণবন্ধু। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি তদন্তে নেমেছে পুলিশ। থানার আইআইসি অনিতা কিড়ো জানিয়েছেন, "তিন জন মিলে বন্দুক দেখিয়ে তরুণীকে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। ওই যুবতীর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।" সাতসকালে ভরা রাস্তায় এমন ফিল্মি কায়দায় কনে অপহরণের ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।