আজকাল ওয়েবডেস্ক: সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারবার রুখতে বিরাট সাফল্য অসম পুলিশের। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গুয়াহাটির দিসপুর এলাকা থেকে এক নাবালক-সহ চার বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ কমিশনারেটের সীমান্ত শাখা। অভিযুক্তদের কাছে পাসপোর্ট বা ভিসার মতো কোনও বৈধ নথি ছিল না বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, ধৃতদের বর্তমানে দিসপুর থানায় রাখা হয়েছে। সেখান থেকেই তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। জেরায় অভিযুক্তেরা জানিয়েছেন, গত ১০ এপ্রিল কাজের আশায় দালালদের খপ্পরে পড়ে তাঁরা সীমান্ত পার হয়েছিলেন। এর ঠিক পরদিনই, অর্থাৎ ১১ এপ্রিল তাঁরা গুয়াহাটি পৌঁছন।
এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে মহম্মদ আকাশ আলি নামে এক ট্যাক্সি চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই ব্যক্তিই দালাল হিসেবে তাঁদের যাতায়াতের সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছিলেন। অভিযুক্ত দালালের বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ এবং ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এর একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
এই অনুপ্রবেশের নেপথ্যে আর কোনও বড় চক্র বা মানব পাচারের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের অনুমান, এই কারবারের শিকড় অনেক গভীরে ছড়িয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে কিছুদিন আগেই, বাংলাদেশের হিন্দু যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনাকে সমর্থন করে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে পুলিশের জালে যায় অসমের এক ব্যক্তি। ঘটনার জেরে অসমের কামরূপ থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেপুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় বজরং দল এবং আন্তর্জাতিক হিন্দু পরিষদ বজরং দল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে রঙ্গিয়া থানার পুলিশ। প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ হাতে আসতেই ওই যুবককে পাকড়াও করা হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, বাংলাদেশের ওই যুবককে গণপিটুনির একটি ভিডিও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন অভিযুক্ত। শুধু তাই নয়, ওই নৃশংস ঘটনাকে সমর্থন জানিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যও লিখেছিলেন তিনি। ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে।















