আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্কুল থেকে দুই নাতনিকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ঠাকুমা। পথেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে তিনজনে। বরাতজোরে রক্ষা পেয়েছেন বৃদ্ধা ও তাঁর খুদে নাতনি। বাসের চাকায় পিষে বৃদ্ধার সদ্যোজাত নাতনির মৃত্যু হয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে। বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, সাউথ মুম্বইয়ের খেতওয়াড়ি এলাকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার কোলে ন'মাসের নাতনিকে নিয়ে রাস্তা পার করছিলেন এক বৃদ্ধা। আচমকাই তাঁদের পিষে দেয় একটি স্কুল বাস। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন তার ঠাকুমা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আরেক নাতনিকে স্কুল বাস থেকে নিতে গিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধা। বরাতজোরে বেঁচে গেছে তাঁর ওই নাতনি। জানা গেছে, সে কোলাবার জেবি সোমান স্কুলের পড়ুয়া ছিল। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ স্কুল বাস থেকে সে নেমেছিল। এক নাতনি তাঁর কোলে ছিল, আরেক নাতনির হাত ধরে রাস্তা পার করছিলেন বৃদ্ধ। সেই সময়েই স্কুল বাসটি তাঁদের পিষে দেয়।
স্কুল বাসের ধাক্কায় তিনজনেই লুটিয়ে পড়েন। বাসের সামনের চাকা পিষে দেয় বৃদ্ধা ও তাঁর কোলে থাকা সদ্যোজাতকে। তড়িঘড়ি স্থানীয়রা চিৎকার করে বাসটি থামান। পাশেই এক স্কুটার আরোহী আরেক খুদেকে দ্লরুত উদ্ধার করেন বাসের তলা থেকে। দুর্ঘটনার পরেই মামলা রুজু করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্কুল বাসের চালককে।
গত বছর এপ্রিল মাসে আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ইদের সকালে হরিয়ানায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় স্কুল বাস। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে মৃত ছয়জন স্কুল পড়ুয়া।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল মহেন্দ্রগড় জেলায়। ইদে ছুটি ঘোষণা করা হলেও, সেদিন জিএল পাবলিক স্কুল খোলা ছিল। সেই বেসরকারি স্কুলের বাসে করে যাচ্ছিল ৪০ জন পড়ুয়া। স্কুল যাওয়ার পথে আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারান চালক।
বাসটি একটি গাছে সজোরে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ছুটে আসেন স্থানীয়রা। পুলিশ এবং স্থানীয়দের সাহায্যে আহত পড়ুয়াদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
গুরুতর আহত হয় আরও ২০ জন পড়ুয়া। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। স্থানীয়দের দাবি, স্কুল বাসের চালক মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
