আজকাল ওয়েবডেস্ক: বড় ঘোষণা মণিপুরে। প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মহিলার আর্থিক সহায়তার জন্য আগামী বাজেটে ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে চলেছে রাজ্যের সরকার। রবিবার ইম্ফলে সমাজকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, মূলত কেন্দ্রের দেওয়া অনুদান থেকেই এই অর্থ খরচ করা হবে। বিগত কয়েক মাসের জাতিগত হিংসায় মণিপুরের জনজীবন একপ্রকার বিপর্যস্ত। এর ফলে মহিলারা যে চরম প্রতিকূলতা ও আর্থিক অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যের মুখ্যসচিব পুনীত কুমার গোয়েল মণিপুরের সমাজ ও অর্থনীতিতে নারীদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি জানান, সরকার এখন শুধুমাত্র ‘মহিলাদের উন্নয়ন’ নয়, বরং ‘মহিলাদের নেতৃত্বে উন্নয়নে’ জোর দিচ্ছে।
একইসঙ্গে দুস্থ মহিলাদের পাশে দাঁড়াতে ‘মিশন শক্তি’, হেল্পলাইন এবং ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’-এর মতো প্রকল্পগুলি আরও সক্রিয় করার কথাও বলেন তিনি। এ দিনের মঞ্চে রাজ্যের দুই কৃতি সন্তান- প্রখ্যাত ভারোত্তোলক কুঞ্জরানি দেবী ও লোকসঙ্গীত শিল্পী মাংকা ময়ংলম্বমকে বিশেষ ভাবে সম্মান জানানো হয়।
অন্যদিকে, দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে পঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকার রাজ্যের মহিলাদের জন্য বড় ঘোষনা করল। শনিবার রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হরপাল সিং চিমা ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের যে বাজেট পেশ করেছেন, তার মূল আকর্ষণই হলো মহিলাদের মাসিক অনুদান।
এই প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১৮ বছর ঊর্ধ্ব প্রায় ৯৭ শতাংশ মহিলাকে আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে। বলা হয়েছে, মহিলারা মাসে ১,০০০ টাকা করে পাবেন। তবে তফসিলি জাতিভুক্ত মহিলাদের জন্য এই বরাদ্দের পরিমাণ রাখা হয়েছে মাসিক ১,৫০০ টাকা। সরকারি কর্মী, প্রাক্তন বিধায়ক-সাংসদ এবং আয়করদাতারা বাদে বাকি প্রায় সব মহিলাই এই সুবিধা পাবেন। এমনকী যাঁরা আগে থেকেই বার্ধক্য বা বিধবা ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরাও এই নতুন প্রকল্পের টাকা পাবেন।
