আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব। উপরেই ছিল ছত্রপতি শম্ভুজিনগর লেখা একটি বোর্ড। সেখানে দাঁড়িয়ে দুই বন্ধুর প্রস্রাব করার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিও ভাইরাল হতেই অপমানে আত্মঘাতী এক তরুণ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছত্রপতি শম্ভুজিনগরে। এক ভাইরাল ভিডিওর জেরে অপমানিত হয়ে এক তরুণ আত্মঘাতী হয়েছেন। রাস্তার ধারে এক বন্ধুর সঙ্গে প্রস্রাব করেছিলেন ওই তরুণ। রাস্তার ধারে সেই প্রস্রাব করার ভিডিও ভাইরাল হতেই অপমানে আত্মঘাতী হন তিনি।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ঝালনায় থকমাল তান্ডা এলাকায় একটি কুয়োয় ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই তরুণ। রাস্তার ধারে প্রস্রাব করার ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্রমাগত হেনস্থার শিকার হচ্ছিলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি এলাকাতেও হেনস্থা ও হুমকির সম্মুখীন হচ্ছিলেন তিনি। তার জেরেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন যুবক।
রেলস্টেশনের পাশে ছত্রপতি শম্ভুজিনগর লেখা একটি বোর্ডের নীচে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখা গিয়েছিল দুই বন্ধুকে। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই এক তরুণ সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষমা চেয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও একজন বারবার হেনস্থার শিকার হন। ফোন ও মেসেজ করলেও তরুণকে হুমকি ও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ।
রাস্তার ধারে প্রস্রাব করার ভিডিওটি স্থানীয় এক শিবসেনা নেতাও শেয়ার করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামেও ভিডিওটি হু হু করে ছড়িয়ে পড়েছিল। যারা ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন এবং তরুণকে হুমকি দিচ্ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এফ আই আর দায়ের করেছে পুলিশ। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে মায়ের বকুনি শুনে এক কিশোর আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল। একদিনও পড়াশোনা থেকে রেহাই নেই। মা-বাবার বকাঝকা, পড়ার চাপে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। মায়ের বকুনি শুনে টিউশনে গেলেও, চরম পদক্ষেপ করল ১৪ বছরের কিশোর। বহুতল আবাসন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল সে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে। বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে, কান্দিভালি এলাকায় ব্রুক আবাসনের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয় ১৪ বছরের এক কিশোর। পড়াশোনার চাপেই সে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের অনুমান।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বুধবার সন্ধ্যায় টিউশনে যাওয়ার জন্য কিশোরকে জোরাজুরি করেছিলেন তার মা। গৃহবধূ জানিয়েছেন, সন্ধ্যায় ঘরেই খেলাধুলা করছিল সে। বারবার টিউশনে যেতে বললেও, নারাজ ছিল সে। পড়াশোনায় মন না দেওয়ায় খানিকটা বকাঝকা করা হয়েছিল। এরপর গোমড়া মুখেই টিউশনে যায়।
কিছুক্ষণ পর পুলিশ জানায়, ওই আবাসনের নীচ থেকে কিশোরের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। কিশোরের রহস্যমৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত চলছে। পরিবারের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।
