আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাংসদ ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেই কি "ইন্ডিয়া" জোটের প্রধানমন্ত্রী পদের মুখ? মঙ্গলবার দিল্লিতে জোটের চতুর্থ বৈঠকের পর এই সম্ভাবনাই উঠে এল সামনে। সূত্রের খবর, জোটের এই চতুর্থ বৈঠক চলাকালীন দলিত সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা এই সাংসদের নাম প্রস্তাব করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। যা সমর্থন করেন আম আদমি পার্টির নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। যদিও এদিনের বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে খাড়গেকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "আগে জেতার কথা ভাবছি। পরে এই বিষয়টি সাংসদরা বসে ঠিক করবেন। বৈঠকে কে কী বললেন সেটা বিষয় নয়।"
বিজেপি বিরোধী এই জোট তৈরির সলতে পাকানোর পর্ব শুরু হতেই সবার আগে যে প্রশ্নটা উঠে আসে, এই জোট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাকে সামনে রেখে এগোবে। যদিও এই প্রশ্নের উত্তরে জোটের নেতাদের বক্তব্য ছিল, কে হবেন প্রধানমন্ত্রী সেটা নির্বাচনের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসতে শুরু করেছে ততই এই বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন তারা। কারণ, ২০১৪তে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখেই এগিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী পদের নামের সঙ্গে আরও যে বিষয়টি নিয়ে সকলে কৌতূহলী ছিল, সেটি হল রাজ্যে রাজ্যে আসন বন্টন নিয়ে শেষপর্যন্ত কী সমাধান সূত্র বের করা হবে। এদিন খাড়গে জানিয়েছেন, বিষয়টি রাজ্যস্তরের নেতাদের মধ্যে প্রথমে আলোচনা হবে।
বিজেপি বিরোধী মোট ২৮টি দলের বৈঠকে এদিন সিদ্ধান্ত হয়, জনস্বার্থে আগামীদিনে একসঙ্গে লড়াই করা হবে। সেইসঙ্গে আগামী ২২ ডিসেম্বর সংসদের দুই কক্ষ থেকে যে ১৫১ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে সেই বিষয়ে গোটা দেশে প্রতিবাদ জানানো হবে।
ইন্ডিয়া জোটের সাংবাদিক বৈঠক শুরুর আগেই মমতা ও কেজরিওয়াল বেরিয়ে যাওয়ায় কিছু জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
বিজেপি বিরোধী এই জোট তৈরির সলতে পাকানোর পর্ব শুরু হতেই সবার আগে যে প্রশ্নটা উঠে আসে, এই জোট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাকে সামনে রেখে এগোবে। যদিও এই প্রশ্নের উত্তরে জোটের নেতাদের বক্তব্য ছিল, কে হবেন প্রধানমন্ত্রী সেটা নির্বাচনের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসতে শুরু করেছে ততই এই বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন তারা। কারণ, ২০১৪তে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখেই এগিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী পদের নামের সঙ্গে আরও যে বিষয়টি নিয়ে সকলে কৌতূহলী ছিল, সেটি হল রাজ্যে রাজ্যে আসন বন্টন নিয়ে শেষপর্যন্ত কী সমাধান সূত্র বের করা হবে। এদিন খাড়গে জানিয়েছেন, বিষয়টি রাজ্যস্তরের নেতাদের মধ্যে প্রথমে আলোচনা হবে।
বিজেপি বিরোধী মোট ২৮টি দলের বৈঠকে এদিন সিদ্ধান্ত হয়, জনস্বার্থে আগামীদিনে একসঙ্গে লড়াই করা হবে। সেইসঙ্গে আগামী ২২ ডিসেম্বর সংসদের দুই কক্ষ থেকে যে ১৫১ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে সেই বিষয়ে গোটা দেশে প্রতিবাদ জানানো হবে।
ইন্ডিয়া জোটের সাংবাদিক বৈঠক শুরুর আগেই মমতা ও কেজরিওয়াল বেরিয়ে যাওয়ায় কিছু জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
















