আজকাল ওয়েবডেস্ক: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে সামরিক সংঘাত। ফলে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি সরবরাহের মূল পথ 'হরমুজ প্রণালী' নতুন করে অবরুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে রান্নার গ্যাসের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। তবে স্বস্তির বিষয়, চলতি মাসে ১৪.২ কেজির ঘরোয়া এলপিজি-র দাম আপাতত অপরিবর্তিতই থাকছে বলে খবর। এমনকি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কিছুটা কমেছে।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। গত ১৭ জুনের স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রটি বাতিল ঘোষণার মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই গত বুধবার ইরানের ওপর বড়সড় বিমান হামলা চালায় আমেরিকা। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত করার লক্ষ্যেই ইরানের দক্ষিণ উপকুলে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি আমেরিকার সামরিক বাহিনীর। অন্য দিকে, ওমান উপকূলে জ্বালানি পরিবহণকারী জাহাজগুলি হামলার হাত থেকে তাদের 'লোকেশন' বন্ধ করে যাতায়াত করছে, যা এই রুটে আতঙ্কের পরিবেশ স্পষ্ট করে তুলেছে।

 

দেশের বিভিন্ন শহরে আজ এলপিজি সিলিন্ডারের দাম (১০ জুলাই):

 

দিল্লিতে ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৯৪২ টাকা এবং ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ২,৯৩০ টাকা। কলকাতায় ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৯৬৮ টাকা এবং ৩,০৮১.৫০ টাকা। মুম্বইয়ে ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৯৪১.৫০ টাকা এবং ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ২,৮৮৫.৫০ টাকা। চেন্নাইয়ে ১৪ কেজি গার্থস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৯৫৭.৫০ টাকা এবং ৩,১০৬.০০ টাকা। হায়দরাবাদে ১৪.২ কেজি গার্থস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৯৯৪.০০ টাকা এবং ১৯ কেজি বানিজ্যকিক সিলিন্ডারের দাম ৩,১৯১.০০ টাকা।

 

প্রসঙ্গত, তবে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের আবহে দেশের মেট্রোপলিটন শহরগুলিতে এক ধাক্কায় বেশ কিছুটা মহার্ঘ হয়েছে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি বাণিজ্যিক সিলিন্ডার পিছু দাম বাড়িয়েছে ১৯৫ টাকা ৫০ পয়সা। নতুন এই সংশোধিত দাম গতকাল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।