আজকাল ওয়েবডেস্ক: যেন যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। সোমবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে দেশের আড়াইশোর বেশি জায়গায় অসামরির মহড়ার (মক ড্রিল) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় উল্লেখ, মহড়ায় আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে কী করতে হবে, তাই শেখানো হবে সাধারণ মানুষকে। আমজনতাকে বোঝানো হবে সাইরেনের শব্দ শুনলে কি করবেন। এছাড়া সকলকে বাড়িতে ফার্স্ট এইড বক্স, টর্চ, মোমবাতি-সহ অতিরিক্ত খাবারের বন্দোবস্ত করে রাখতে বলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, হাতে নগদ রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন হলে বা ইন্টারনেটের সমস্যা হলে ডিজিটাল পেমেন্ট কাজ নাও করতে পারে।
নিরাপত্তা মহড়ায় অংশ নেবেন জেলাশাসক-সহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক, নাগরির সুরক্ষা কর্মী, হোমগার্ডেরা। এছাড়াও মহড়ায় অংশ নিতে বলা হয়েছে এনসিসি ক্যাডেট, নেহরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের সদস্য এবং স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের।
মূলত যে যে বিষয়ে মহড়া দিতে বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন ব্যবস্থাকে সক্রিয় করা, নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে সাধারণ মানুষ, বিশেষত পড়ুয়াদের ভূমিকা কী হবে, হঠাৎ ব্ল্যাকআউট হলে কী করণীয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কী ভাবে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানো হবে।
গত সপ্তাহে নৌসেনা এবং বায়ুসেনা প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিভিন্ন সরকারি সূত্রে দাবি, জঙ্গিদমনে প্রত্যাঘাতের প্রস্তুতি হিসাবেই প্রতিরক্ষা বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই কয়েকটি রাজ্যকে মহড়ার নির্দেশ দেয় অমিত শাহের মন্ত্রক।
৭ মে দেশব্যাপী অসামরিক মহড়া হবে। পাকিস্তানের উপর ভারতের প্রত্যাঘাত কি শুধু সময়ের অপেক্ষা? এহেন নির্দেশিকার পরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
