আজকাল ওয়েবডেস্ক: কর্নাটকের কোপ্পলে সম্প্রতি হাড়হিম কাণ্ড। ২১ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে নিজের নাবালিকা বোনকে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে তাতে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গত ৩০ অক্টোবর। এই ঘটনা জানাজানি হতে চরম শোরগোল।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, তীব্র পিঠের ব্যথা নিয়ে তরুণী জেলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। প্রসবের আগ পর্যন্ত সে জানতও না যে সে গর্ভবতী। সেই দিন রাতেই সে একটি সন্তানের জন্ম দেয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া জবানবন্দিতে সে জানায়, ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তার দাদা এই জঘন্য কাজ শুরু করে। একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও, অভিযুক্ত যুবক তাকে বিয়ে করে সব দায়িত্ব নেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।
নাবালিকার অভিযোগ, সে যখন পরিবারকে সব কথা বিস্তারিত জানাতে চায়, তখন অভিযুক্ত দাদা আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতার বাবা দ্বিতীয় বিবাহ করেছিলেন। এরপর মেয়ে ও দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁরা একসঙ্গেই থাকতেন। তরুণীর বয়ানের ভিত্তিতে, পুলিশ যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংবিধান (বি এন এস)-এর ৬৪(২)(এম) ধারায় এবং পকসো আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা রুজু করেছে।
ঘটনার জেরে অভিযুক্ত ২১ বছর বয়সি যুবককে গ্রেপ্তার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে (জুডিশিয়াল কাস্টডি) পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত জারি রয়েছে৷
অন্যদিকে, বাবার যৌন লালসার শিকার খুদে মেয়ে। নিজের মেয়ের সাড়ে সর্বনাশ করল বাবা! নাবালিকা মেয়েকে কোলে বসিয়ে আদর করার অজুহাতে ধর্ষণ করল সে। বাবার যৌন নির্যাতনের পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে সে। মাত্র ছ'বছরের মেয়ের এহেন পরিণতির পরেই তড়িঘড়ি পুলিশের দ্বারস্থ হলেন মা। ঘটনাটি ঘিরে জোরকদমে চলছে তদন্ত।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। রবিবার পুলিশ জানিয়েছে, বিজনুর জেলায় ছ'বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। মত্ত অবস্থায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত বাবাকে। খুদে নাবালিকার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে সঙ্কটজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে সে।
পুলিশ আধিকারিক কৃষ্ণ গোপাল সিং আরও জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় থানায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেন তার মা। অভিযোগ জানান নিজের স্বামীর বিরুদ্ধে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় ও পকসো ধারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবক পলাতক। তার খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
