আজকাল ওয়েবডেস্ক: জ্যোতিষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ শ্লীলতাহানি করার। অভিযোগ, মহিলার ভাগ্যে সমস্যা আছে বলে একটি পুজো করার অছিলায় তাঁর শ্লীলতাহানি করে অভিযুক্ত। মামলা রুজু করা হয়েছিল আগেই। সেই মামলা প্রত্যাহারের আবেদন জানায় অভিযুক্তের স্বামী। সেই আবেদন বাতিল করল কর্ণাটক আদালত।
ঘটনায় জড়িত জ্যোতিষী মোহনদাস ওরফে রামু এবং ওই মহিলার স্বামী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল অভিযোগ বাতিল করার জন্য। স্বামীই ওই মহিলাকে জ্যোতিষীর কাছে নিয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে ২০১৮ সালে প্রথম মামলা রুজু হয়।
মহিলা আদালতে ৪৯৮ এ, ৩৫৪, ৩৫৪এ এবং ৫০৮ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন। ৪৯৮ এ ধারায় স্বামীর বিরুদ্ধে নিষ্ঠুরতার অভিযোগ, গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ, ৩৫৪ ধারায় নারীর উপর অশালীন কাজ করতে বলপ্রয়োগ করা, ৩৫৪ এ ধারায় যৌন হয়রানি এবং ৫০৮ ধারায় ঈশ্বরের রোষ থেকে বাঁচতে কিছু করতে প্ররোচিত করার মতো বিষয়গুলি রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত, ২০১৪ সালের শেষদিকে। জানা যায়, সময় ভাল যাচ্ছে না বলে স্বামী অভিযোগকারিণীকে জ্যোতিষীর কাছে নিয়ে গিয়েছিল। জ্যোতিষী তাঁকে জানান, মহিলার কোষ্ঠী ঠিক নেই। সেটাকে শুদ্ধ করা দরকার। আর তার জন্য পুজো করতে হবে। এই পুজো করার অছিলায় জ্যোতিষী মহিলার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। এমনকী তিনি স্বামীকে সব জানালেও স্বামী তাতে আমল দেয়নি। পাশাপাশি স্বামী তাঁকে এই ঘটনায় অভিযোগ করতে বাধা দিয়েছে বলেও দাবি।
অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী সাফাই দিয়েছে, নিগৃহীতা ২০১৮ থেকে স্বামীর সঙ্গে থাকেন না। তাই আদালতকে তার অনুরোধ, আদালত যেন মামলা প্রত্যাহার করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু ঘটনা যেহেতু আগেকার, তাই স্বামী এবং জ্যোতিষী কারও বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা যাবে না। এমনটাই সাফ জানিয়েছে কর্ণাটক হাইকোর্ট।
