পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত তীব্র থেক তীব্রতর হচ্ছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে বড় সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। এই সংঘাতে সরাসরি জড়িত নয় উত্তর কোরিয়া। তবু সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। নেটিজেনরা তাঁকে নিয়ে বানাচ্ছেন একের পর এক মিম বা হাস্য কৌতুক। তাঁকে দেখানো হচ্ছে “বাইস্ট্যান্ডার” বা দূর থেকে দেখছেন এমন দর্শক হিসেবে।
2
9
কেউ কিমের ছবি পোস্ট করে লিখছেন, সেই ছেলেটা যার কাছে সবরকমের খেলনা আছে, কিন্তু কেউ খেলতে ডাকছে না। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে, একজন উত্তর কোরিয়ান সৈনিকের সামনে কিম বসে আছেন। সৈনিক কম্পিউটার চেক করে বললেন, এখনও আমাদের দেশে কোনও মিসাইল আক্রমণ হয়নি। তখন কিম নির্দেশ দিচ্ছেন, আবার একবার রিফ্রেশ করে দেখ।
3
9
আবার একটা কৌতুকে দেখা যাচ্ছে, একজন সৈনিককে কিম জড়িয়েছে ধরেছেন, কারণ কল্পনায় তাঁর দেশে একটা মিসাইল এসে পড়েছে। অনেকেই ব্যাঙ্গ করে বলছেন, যে নেতা প্রায়ই বিশ্বকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করে দেখান, তিনি এবার আন্তর্জাতিক সংঘাতের নীরব দর্শক হয়েই দাঁড়িয়ে রইলেন।
4
9
ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ অভিযান শুরু করে। অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। তেহরানে বড় হামলা চালানো হয়। সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা ও শীর্ষ নেতৃত্বকে টার্গেট করা হয়। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খেমেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। উনি বাদে আরও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা মারা গেছেন।
5
9
ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ অভিযান শুরু করে। অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। তেহরানে বড় হামলা চালানো হয়। সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা ও শীর্ষ নেতৃত্বকে টার্গেট করা হয়। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খেমেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। উনি বাদে আরও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা মারা গেছেন।
6
9
হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। লক্ষ্য করা হয় ইজরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি। ইউনাইটেড আরব এমিরেটস, কুয়েত, কাতার, বাহ্রাইন এবং সৈদি আরবিয়া-তেও উত্তেজনা ছড়ায়। বেসামরিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর।
7
9
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে স্থায়ীভাবে আটকানো। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, ইরানের আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতাও ভেঙে দেওয়া হবে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, কমপক্ষে ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। অপর দিকে মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, চারজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
8
9
একদিকে যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতা। প্রাণহানি বাড়ছে। আন্তর্জাতিক উদ্বেগও বাড়ছে। অন্যদিকে, ইন্টারনেটের জগতে চলছে রসিকতা ও ব্যঙ্গ। কিম জং উনকে ঘিরে এই মিম সংস্কৃতি দেখাচ্ছে, কীভাবে বড় রাজনৈতিক সংকটও সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য রূপ পায়।
9
9
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। যে কোনও সময় সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে। আর সোশ্যাল মিডিয়া তাকিয়ে আছে নতুন মিমের দিকে।