আজকাল ওয়েবডেস্ক: একাধিকবার সতর্ক করেও ফল মেলেনি। রেলের প্যান্ট্রি কারের পরিচ্ছন্নতা, পেস্ট কন্ট্রোল এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের নিয়ম এখনও মেনে চলা হচ্ছে না। নির্ধারিত নিয়ম অবহেলা করায় জোনাল রেলওয়েগুলিকে তীব্র ভর্ৎসনা করল রেল মন্ত্রক। সম্প্রতি সমস্ত আঞ্চলিক রেলের কার্যালয়ে এ নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। জানিয়েছে, প্যান্ট্রি কারে ইঁদুর,পোকার উপদ্রব এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে যাত্রীদের ক্ষোভ বাড়ছে। যেখানে ভারতীয় রেলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রেল মন্ত্রক।
রেল সূত্রের খবর, ২০১০ ও ২০১১ সাল থেকেই প্যান্ট্রি কারের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে রেলের। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, রেলের মেইনটেন্যান্স সাইকেল মেনে ইঁদুর মারার ওষুধ বা ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক। প্রতি ১৫ দিন অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী তার আগে পোকা মারার জন্য পেস্ট কন্ট্রোলের কাজ সেরে ফেলতে হবে। কিন্তু রেলের বহু ডিপোতেই এই নিয়ম যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে না। এর আগে ২০২৪ সালেও এ নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক সব আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছিল।
রেলের প্যান্ট্রি কারের ভেতরের অপরিছন্নতার পাশাপাশি বেসরকারি ক্যাটারিং কর্মীদের একাংশের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাও সামনে এসেছে। রেলের পরিদর্শনে দেখা গিয়েছে, কর্মীরা ট্রেনের ভেস্টিবিউল অর্থাৎ কামরার সংযোগস্থল ও ওয়াশিং লাইনে আবর্জনা জমিয়ে রাখা হচ্ছে। এমনকি নিয়ম ভেঙে চলন্ত ট্রেন থেকে বাইরে খাবার ও কাগজের প্লেট ছুড়ে ফেলা হচ্ছে বলে পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছে রেলের কর্তারা।
রেল মন্ত্রক জানিয়েছে, রেলের নিয়মের অভাব নেই। শুধু অভাব রয়েছে তা বাস্তবায়নের। আদতে প্যান্ট্রি কারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব জোনাল রেলওয়ের। এ ছাড়া, ক্যাটারিং কর্মীদের ওপর নজরদারির দায়িত্ব আইআরসিটিসি-র। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে এবার তাই এই দুই সংস্থাকেই কড়া হাতে নিয়ম বলবৎ করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রক।















