বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর জল, জঙ্গল আর পাহাড়ে ঘেরা একটি চমৎকার উইকেন্ড ডেস্টিনেশন। কংসাবতী নদীর বাঁধ ও জলাধার, অদূরে সোনাঝুরি জঙ্গল এবং শতাব্দী প্রাচীন লক্ষ্মী-জনার্দন মন্দির এখানকার প্রধান আকর্ষণ।
2
11
পর্যটকদের জন্য এখানে বন দপ্তরের প্রকৃতি ভ্রমণকেন্দ্র এবং ছোট ছোট কটেজে থাকার দারুণ ব্যবস্থা রয়েছে।
3
11
মুকুটমণিপুরের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে এবার বাঙালির প্রিয় ভ্রমণস্থানকে ঘিরে একগুচ্ছ পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। লক্ষ্য, পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা।
4
11
হুল দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মুকুটমণিপুরে একটি চিড়িয়াখানা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জেলা প্রশাসনকে জমি চিহ্নিত করার নির্দেশও দিয়েছেন বলে খবর।
5
11
চিড়িয়াখানা গড়ে উঠলে পর্যটনের পাশাপাশি পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুকুটমণিপুরে একটি হরিণ উদ্যান রয়েছে।
6
11
২৫০০ বর্গমিটার এলাকার ওই উদ্যানেই নতুন চিড়িয়াখানা হবে না কি নতুন কোনও জায়গায় হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
7
11
এছাড়াও, মুকুটমণিপুরে আধুনিক রোপওয়ে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। রোপওয়ে চালু হলে পর্যটকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি হবে।
8
11
প্রশাসনের দাবি, পর্যটক সংখ্যা বাড়লে হোটেল, পরিবহণ, স্থানীয় ব্যবসা ও হস্তশিল্পের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। স্থানীয় স্তরে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
9
11
প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা ও স্থানীয় মানুষের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
10
11
মুকুটমণিপুরের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলি হল, পাহাড়ের কোলে অবস্থিত সুবিশাল নীল জলরাশি-সহ কংসাবতী জলাধার, সোনাঝুরি জঙ্গল। লক্ষ্মী-জনার্দন মন্দিরটি সারা বছর জলের তলায় থাকে। মাত্র তিন মাস ভেসে ওঠে।
11
11
কলকাতা থেকে সড়কপথে খুব সহজেই মুকুটমণিপুর যাওয়া যায়। শীতকালে এখানে পর্যটকদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি থাকে।