আজকাল ওয়েবডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়েছিলেন। এরপরই হামকারী ও তাদের মদতদাতাদের সবক শেখাতে 'অপরেশন সিদুঁর' অভিযান টালায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। পাকিস্তান ও পাক অধীকৃত কাশ্মীরে ঢুকে নয়টি জঙ্গি ডেরা ধ্বংস করা হয়। এতেই নিহত হয় প্রায় শতাধিক সন্ত্রাসবাদী। চলে ভারত-পাক ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলাও। তৈরি হয় যুদ্ধ পরিস্থিতি। তারপরই অবশ্য পাক অনুরোধে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ।

সূত্রের খবর, এসবের মধ্যেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আস্তাবর্ধক নানা পদক্ষেপ করা হবে। উভয় দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তারা এতে সম্মত হন। চার দিন ধরে সীমান্ত পারাপারের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ১০ মে দুই দেশের ডিজিএমও-র মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছিল, তার পাশাপাশি, সতর্কতার মাত্রা কমাতে আস্থা তৈরির পদক্ষেপগুলি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজিএমও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই এবং একই পদের পাকিস্তানি মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ কথা বলেছিলেন।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর এক প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী ইসহাক দার দাবি করেছেন যে- পাকিস্তানের ডিজিএমও, মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ এবং ভারতের ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই বৃহস্পতিবার হটলাইনে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা এখন ১৮ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

 

?ref_src=twsrc%5Etfw">May 15, 2025

গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসবাদী লহামলার পর ভারত যখন প্রথম, পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নির্ভুল ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং গ্লাইড বোমা ব্যবহার করে জঙ্গি গাঁটিগুলিতে আঘাত হানে, তখন প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও বারতের সীমান্তবর্তী লোকালয়ে, সামরিক ঘাঁটি নিশানা করে ড্রোন ও রকেট হামলা চালায়।  

প্রতিশোধ হিসেবে, ভারত পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি বিমান ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদে হামলা চালায়। পাকিস্তানের তরফে যেসব ড্রোন এবং রকেট ছোড়া হয়েছিল ভারত সেগুলোও ধ্বংস করে দেয়। এগুলির মধ্যে বেশ কিছু তুরস্কের তৈরি সশস্ত্র ড্রোনও ছিল।