আজকাল ওয়েবডেস্ক: অর্ধেক তৈরী অবস্থায় পড়ে ছিল সেতু। সেই সেতুর ওপর থেকে বিশালাকার লোহার পাত ছিটকে পড়ে একসঙ্গে মৃত্যু হল বাবা ও মেয়ের। গুজরাটের সুরাটের কাছে কাঠোর গ্রামে মুম্বই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ চলার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃতদের নাম মহসিন ইকবাল শেখ (৩৫) এবং তাঁর নয় বছরের মেয়ে হুমা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় তাপ্তি নদীর ওপর যখন সেতুর কাজ চলছিল, তখন নিচে মাছ ধরছিলেন ওই ব্যক্তি ও তাঁর মেয়ে। সেই সময় আচমকাই ওপর থেকে একটি ভারী লোহার পাত ছিটকে এসে তাঁদের ওপর পড়ে। পাতের ওজন এতটাই বেশি ছিল যে, পালানোর বিন্দুমাত্র সুযোগ পাননি তাঁরা। দু’জনেই ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান।
দুর্ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা ভিড় জমিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও পাতের ভারের কাছে তাঁরা অসহায় ছিলেন। পরে উত্তরণ থানার পুলিশ এসে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।
পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন," কাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিরাপত্তা বিধি মানা না হলে সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" ইতিমধ্যেই ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, সাতসকালে সহকর্মীর সঙ্গে জলখাবার খেতে বসেছিলেন ২৮ বছরের তরুণ শ্যাম পাঞ্চাল। কিন্তু সেই খাবারই যে তাঁর জীবনের শেষ খাওয়া হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি কেউ। সামান্য এক ঘটনার জেরে সহকর্মীর হাতেই খুন হতে হলো তাঁকে। ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার কোল্লুর এলাকার একটি বেসরকারি আবাসন চত্বরে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৯ জানুয়ারি সকালে অতুল সাহানি নামে এক সহকর্মীর সঙ্গে প্রাতরাশ সারছিলেন শ্যাম। অভিযোগ, খাওয়ার মাঝেই আচমকা অতুলের থালায় হাত ধুয়ে ফেলেন তিনি। এই সামান্য বিষয় নিয়েই দুই বন্ধুর মধ্যে শুরু হয় তীব্র কথা কাটাকাটি। বিবাদ চরমে পৌঁছালে মেজাজ হারিয়ে অতুলের মাথায় সজোরে আঘাত করেন শ্যাম।
গুরুতর চোট পেয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। মৃত্যু হয় তাঁর। মঙ্গলবার আবাসন চত্বরের একটি ঘর থেকে শ্যামের দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হয়েছে।
অন্য দিকে, বেঙ্গালুরুর আরআর নগরে এক মহিলার রহস্যমৃত্যুর জট খুলল পুলিশ। ঘর থেকে আশা নামে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ওটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন।
পুলিশি জেরার মুখে আশার স্বামী বিরূপাক্ষ স্বীকার করেছেন যে, তিনি এবং তাঁর এক বন্ধু মিলে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন। পরে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে সাজাতে দেহটি সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ ঘাতক স্বামী ও তাঁর বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
