আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাগে ইন্সটাগ্রামে ফেক অ্যাকাউন্ট! তারপর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে নিজেরই স্বামীর উপর নজর রাখছিলেন স্ত্রী। স্বামী রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতেই বাড়ে বন্ধুত্ব। স্ত্রীর জালে জড়িয়ে শেষমেশ ধরা পড়লেন স্বামী। 

জানা গিয়েছে, সোনি ত্রিপাঠি নামের ওই যুবতী রাগের জেরে নিজের স্বামীকেই ইন্সটাগ্রামে ফলো রিকোয়েস্ট পাঠান। স্বামীর সঙ্গে বচসা করে তিনি নিজের বাপের জগপুরা গ্রামে থাকছিলেন। নওয়াজগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের কাছে। জানা গিয়েছে, তাঁর স্বামী তাঁকে তাড়িয়ে দেওয়ার পর গত চার বছর ধরে তিনি বাপেরবাড়ি থাকছেন। 

অন্যদিকে প্রভুদত্ত ত্রিপাঠি, তাঁর স্বামী থাকতেন কালাকাঁকুরে। প্রতাপগড়ের এই যুবক জানতেন না তিনি যাঁর সঙ্গে কথা বলছেন তিনি আর কেউ নন, তাঁরই স্ত্রী। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে কথপকথন বাড়তে থাকে। প্রভুদত্ত না জেনেই নিজের স্ত্রীর প্রেমে পড়েন আবারও। এমনকী তাঁকে বিয়ে করবেন বলে জানান। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনি প্রভুদত্তকে দেখা করতে বলেন। ২ মে বিকেলে নাগ্বাসাকি মন্দিরের কাছে দেখা করার স্থান ঠিক করা হয়। প্রভুদত্ত তাঁর এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে সেই মন্দির চত্ত্বরে পৌঁছান। আগে থেকেই সেখানে সোনি উপস্থিত ছিলেন। মাথা মুখ ওড়নায় ঢাকা, চোখে কালো সানগ্লাস পরে ছিলেন সোনি। ঘটনাস্থল থেকে দূরে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। 

জানা গিয়েছে, নিজেরই স্ত্রীকে চিনতে পারেননি তিনি। কথা এগোতেই সোনি যখন নিজের পরিচয় দেন তখনই টনক নড়ে প্রভুদত্তের। স্ত্রীকে চরম হেনস্তাও করেন। শুধু তাই নয়, সোনিকে খুনের হুমকিও দেন। বচসা তীব্র আকার নিতেই সোনির পরিবারে সদস্যরা এগিয়ে আসেন। 

পুলিশে খবর দেওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দ্বারাগঞ্জের পুলিশ তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করেন তাঁকে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ১১৫ (২), ৩৫১ (২), এবং ৩৫২ এর আওতায় তাঁকে আদালতে তোলা হবে। পুলিশের বক্তব্য, তদন্ত এখনও চলছে। বহু প্রত্যক্ষ্যদর্শীর বয়ানও পুলিশ গ্রহণ করছেন বলে জানা গিয়েছে।