আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার সকালে পেট্রল ডিজেলের সঙ্গেই দাম বেড়েছিল সিএনজির। ৪৮ঘণ্টার মাথায় ফের দাম বাড়ল। দিল্লিতে রবিবার সকালেই দাম বাড়ল সিএনজির। দাম বেড়ে, পরিবর্তিত মূল্য, প্রতি কেজি ৮০.০৯ টাকা। রবিবার থেকেই দিল্লি এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম এক টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই গ্যাস ব্যবহৃত হয় যেসব যানবাহনে, সেগুলির ভাড়া বাড়বে কিনা, প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও।
দ্বিতীয়বার দাম বাড়ার পর-
দিল্লিতে প্রতি কেজি সিএনজি'র দাম-৮০.০৯ টাকা
নয়ডা এবং গাজিয়াবাদে প্রতি কেজি সিএনজি'র দাম-৮৮.৭০টাকা
গুরুগ্রামে প্রতি কেজি সিএনজি'র দাম হল- ৮৫.১২ টাকা।
কানপুরে প্রতি কেজি সিএনজি'র পরিবর্তিত মূল্য- ৯১.৪২টাকা।
আজমীরে সিএনজি'র পরিবর্তিত মূল্য-৮৯.৪৪টাকা।
মীরাটে দাম বেড়ে প্রতি কেজি- ৮৮.৫৮টাকা।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান পরিবেশক ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে জানিয়েছে, গ্যাসের কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং মার্কিন ডলারের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবের মাঝে দাঁড়িয়ে, পরিস্থিতি বিচার এই মূল্যবৃদ্ধি।
শুক্রবারের আগে, প্রতি কেজিতে সিএনজি'র দাম ছিল ৭৭.০৯টাকা। পরে তাকে বেড়ে হয় ৭৯.০৯ টাকা। প্রতি কেজিতে দু'টাকা বাড়ানো হয়েছিল। ঠিক ৪৮ ঘণ্টায় আবার বাড়ল দাম।
একদিকে পশ্চিম এশিয়ায় টানা যুদ্ধ পরিস্থিতি, অন্যদিকে সেই কারণে জ্বালানি সঞ্চয়ে টান। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুঝতে, একাধিক পরিকল্পনার কথাও উঠে আসছে। দেশের প্রধানমন্ত্রীও একগুচ্ছ বিষয় জানিয়েছেন। এসবের মাঝে জল্পনা ছিলই। গত কয়েকদিন ধরে তা নিয়ে বিস্তর আলোচনাও হয়েছে। সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ে শুক্রবার। দেশজুড়ে বাড়ানো হয় পেট্রল ও ডিজেলের দাম। পেট্রোল এবং ডিজেল, দুই জ্বালানির ক্ষেত্রেই এক ধাক্কায় দাম বাড়ে গড়ে তিন টাকা করে। শুক্রবার থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে নয়া দাম, তথ্য তেমনটাই। গত চার বছরের মধ্যে এটিই হল পেট্রল-ডিজেলের দামের বড় সংশোধন। একইসঙ্গে দাম বাড়ে সিএনজিরও। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দাম বাড়ল আবার।
বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলি (ওএমসি) প্রতি মাসে আনুমানিক ৩০,০০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। জল্পনা ছিলই, পরিস্থিতি বিচারে বাড়বে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। খুচরো জ্বালানি মূল্য এবং ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচের কারণে ওএমসিগুলির প্রতি মাসে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ৭০ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ১২৬ মার্কিন ডলার হওয়ায় এই চাপ আরও তীব্র হয়। আগেই জানা গিয়েছিল, সরকার এবং ওএমসিগুলির বর্তমানে প্রতি লিটারে পেট্রলে ২৪ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবৃদ্ধিতেই সায় কেন্দ্রের।















