আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরনে লাল বেনারসি, কপালে চন্দন, আর হাতে ধরা অ্যাডমিট কার্ড। বিয়ের মণ্ডপ থেকে সটান পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন এক তরুণী। বিহারের শেরঘাটির এসএমএসজি কলেজের এই ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তরুণীর এহেন 'জেদ' দেখে কেউ প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন
সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ফুল দিয়ে সাজানো একটি সাদা গাড়ি এসে থামল কলেজের গেটে। গাড়ির সামনে বরযাত্রীর সাজে বসে আছেন স্বয়ং পাত্র। গেটে ডিউটিতে থাকা এক সিআরপিএফ অফিসার গাড়িটির দিকে এগিয়ে যেতেই পিছনের দরজা খুলে বেরিয়ে এলেন কনে। ভারী গয়না আর লাল শাড়িতে তাঁকে দেখে থমকে যান অন্য পরীক্ষার্থীরা।
ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কনে যখন মাথা নিচু করে পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে ঢুকছেন, তখন ভিডিওগ্রাফারকে পাল্টা প্রশ্ন করছেন বর। আশেপাশে থাকা ছাত্রছাত্রীদের চোখেমুখে তখন বিস্ময়। এই দৃশ্য দেখে নেটিজেনদের একাংশ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, মেয়েটির কি আদৌ বিয়ের বয়স হয়েছে ? মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন কেন বিয়ে দেওয়া হলো? এক নেটিজেনের মন্তব্য, ‘‘মা-বাবা আর বরের জেল হওয়া উচিত।’’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘‘বিয়ের আগে কি বয়স চেক করা হয়েছিল? প্রশাসন চুপ কেন?’’
তবে বিহারে এমন দৃশ্য আগেও দেখা গিয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলেও এক নববধূ বিয়ের ঠিক পরের দিনই পরীক্ষা দিতে পৌঁছেছিলেন। সেবার তাঁর পড়াশোনার প্রতি নিষ্ঠা দেখে সবাই ধন্য ধন্য করেছিলেন। কিন্তু এবারের ঘটনায় বাল্যবিবাহের প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। একদিকে শিক্ষার আলো আর আরেকদিকে সমাজের অন্ধকার- এই দুইয়ের লড়াই নিয়েই এখন সরগরম নেটপাড়া।
অন্যদিকে, পুলিশকে দেখে তড়িঘড়ি পালাতে গিয়েই বিপত্তি। পুণের বিমান নগর এলাকায় একটি স্পা সেন্টারে পুলিশের তল্লাশি চলছিল। এই তল্লাশি চলাকালীনই ঘটল চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে জানালা দিয়ে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। পাশাপাশি ঘটনার জেরে ওই স্পা-র ম্যানেজারও গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই স্পা-র আড়ালে মধুচক্র চালানো হচ্ছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই স্পা সেন্টারে হানা দেয় পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, তল্লাশি চলাকালীন বিভিন্ন ঘরে তরুণী ও খদ্দেরদের দেখা মেলে। তদন্তকারীরা একটি ঘরে ঢুকলে সেখানে দুই মহিলার সঙ্গে ম্যানেজারকে দেখতে পান। পুলিশ দেখে আতঙ্কিত হয়ে ওই মহিলা ও ম্যানেজার দোতলার জানালা দিয়ে নীচে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থলেই মহিলার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে আহত ম্যানেজারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, পুলিশ পরে ওই স্পা সেন্টার থেকে চারজন তরুণীকে উদ্ধার করেছে। সংশ্লিষ্ট স্পা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নীতি-বহির্ভূত দেহব্যবসা বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
