আজকাল ওয়েবডেস্ক : উত্তরপ্রদেশ দেওরিয়াতে খাবারে বিষক্রিয়ার ফলে মারা গেল একজন পড়ুয়া। এই ঘটনার জেরে এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। সোমবার এই ঘটনা ঘটে। তৈরি হয়েছে বিশেষ তদন্ত কমিটি।
প্রসঙ্গত, দেওরিয়াতে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ে ৮০ জন পড়ুয়া। সকলেরই পেটব্যথা, বমি এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা যায়। এরপর সকলকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে কোথা থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া হল তা নিয়ে এখনও তৈরি হয়েছে সন্দেহ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় স্কুল থেকে পরিবেশন করা খাবারে বিষক্রিয়ার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে।
সকলকেই স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল । সকলের পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল । স্কুলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের বেশি অবনতি হতে পারেনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে বিশেষ দল স্কুল পরিদর্শনে যাবে।
স্কুল চত্বর থেকে কীভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়া ঘটল তা খতিয়ে দেখা হবে। রুটি, সবজি, মশলা, তেল এবং খাবার তৈরির সরঞ্জামগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেই খবর। তবে এই পড়ুয়ার মৃত্যু ফের নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর। বাকি পড়ুয়াদের আজ হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেওরিয়াতে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ে ৮০ জন পড়ুয়া। সকলেরই পেটব্যথা, বমি এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা যায়। এরপর সকলকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে কোথা থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া হল তা নিয়ে এখনও তৈরি হয়েছে সন্দেহ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় স্কুল থেকে পরিবেশন করা খাবারে বিষক্রিয়ার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে।
সকলকেই স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল । সকলের পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল । স্কুলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের বেশি অবনতি হতে পারেনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে বিশেষ দল স্কুল পরিদর্শনে যাবে।
স্কুল চত্বর থেকে কীভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়া ঘটল তা খতিয়ে দেখা হবে। রুটি, সবজি, মশলা, তেল এবং খাবার তৈরির সরঞ্জামগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেই খবর। তবে এই পড়ুয়ার মৃত্যু ফের নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর। বাকি পড়ুয়াদের আজ হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
