বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে প্রকল্পের বরাদ্দ আরও কয়েক হাজার কোটি টাকা বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে সম্প্রতি।
2
9
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে সাধারণ মহিলারা মাসে ১৫০০ টাকা এবং তফশিলিরা ১৭০০ টাকা করে পাবেন। এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় আড়াই কোটি মহিলা সুবিধা পান।
3
9
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেছিল রাজ্য সরকার। প্রকল্প চালু করার পর ৫০০ টাকা ভাতা পেতেন মহিলারা। এরপর ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বাজেটে আবারও বাড়ানো হয়েছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ।
4
9
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পাওয়ার জন্য গত ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রায় ২০ লক্ষের বেশি আবেদন নতুন করে জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের নথিপত্র খুঁটিনাটি পরীক্ষা, যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও জোরকদমে চলছে।
5
9
অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, মার্চ মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পেতে দেরি হতে পারে। তবে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি মাসের শুরুতেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। মার্চ মাসেও বেশি দেরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
6
9
তবে নতুন আবেদনকারীদের নথিপত্র যাচাই করতে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশনের জন্য খানিকটা সময় লাগবে। এই কাজ দ্রুত শেষ হবে। শীঘ্রই নতুন আবেদনকারীদের ব্যাঙ্কে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকবে।
7
9
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ফর্ম পূরণ করার পর, বাড়িতে বসেই অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কী কী করণীয়?
8
9
রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পোর্টালে গিয়ে ফোন নম্বর, অ্যাপ্লিকেশন আইডি, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের নম্বর দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস দেখতে পারেন। যদি 'পেমেন্ট আন্ডার প্রসেস' বা 'ভেলিডেশন সাকসেস' দেখায়, তাহলে বুঝবেন শীঘ্রই আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে।
9
9
কিন্তু যদি 'ভেলিডেশন এরোর' দেখায়, বুঝবেন নথিপত্রের গরমিল আছে। নামের বানান, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যেও ভুল থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে পরামর্শ নিতে পারেন।