আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক সপ্তাহ আগে বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাট থেকে অগ্নিদগ্ধ মহিলা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় প্রকাশ্যে এল হাড়হিম করা তথ্য। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী শর্মিলা ডিকে আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনাবশত আগুনে পুড়ে মারা যাননি। তাঁকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মৃতার প্রতিবেশী, ১৮ বছরের এক ছাত্রকে!

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত যুবকের নাম কৃষ্ণাইয়া। সে অপরাধ স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের। ধৃত কৃষ্ণাইয়া পুলিশকে জানিয়েছে যে, ৩ জানুয়ারি রাত ৯টা নাগাদ যৌন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে সে একটি স্লাইডিং জানালা দিয়ে মহিলার ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করে। শর্মিলা বাধা দিলে, সে জোর করে তাঁর মুখ এবং নাক চেপে ধরে রাখে। মহিলা অচৈতন্য না হওয়া পর্যন্ত তরুণ ওইভাবেই জোরে শর্মিলার নাক-মুখ চেপে ধরে রেখেছিল। পরবর্তী নির্যাতিতার রক্তক্ষরণ হয়। শর্মিলা মারা যান। প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার রাগেই তরুণ তাঁর দ্বিগুণ বয়সী মহিলাকে হত্যা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে যে, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টায়, অভিযুক্ত তরুণ শর্মিলার পোশাক এবং অন্যান্য অপরাধমূলক জিনিসপত্র শোবার ঘরের গদিতে রেখে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় সে মহিলার মোবাইল ফোনও চুরি করে বলে অভিযোগ।

স্বীকারোক্তি এবং প্রমাণ নিশ্চিত করার পর, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ধারা ১০৩(১) (হত্যা), ৬৪(২), ৬৬ এবং ২৩৮ (প্রমাণ ধ্বংস)-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আরও তদন্ত চলছে।