আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুইদিনে সাতটি হাতির মৃত্যু হল বান্ধবগড় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ অভয়ারণ্যে। গুরুতর অসুস্থ আরও তিনটি হাতি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারার আশঙ্কা রয়েছে। পরপর একাধিক হাতির মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক শোরগোল বান্ধবগড়ে। কী কারণে মৃত্যু তা ঘিরে শুরু উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে জঙ্গলে টহলদারির সময় দু'টি হাতির মৃতদেহ দেখতে পান বন দপ্তরের কর্মীরা। চাঞ্চল্য ছড়াতেই আশেপাশে তল্লাশি চালানো হয়। তখন আরও দু'টি হাতির মৃতদেহ দেখতে পান বন দপ্তরের কর্মীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও পাঁচটি হাতিকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে বুধবার তিনটি হাতির মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও একটি হাতি। বর্তমানে তিনটি হাতির চিকিৎসা চলছে। সাতটি হাতির মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। 

 

বন দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জঙ্গলে আর কোনও হাতির মৃত্যু হয়েছে কিনা জানতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তাঁদের আশঙ্কাজনক, কৃষকরা অনেক সময় জমিতে কীটনাশক ছড়িয়ে দেন। কীটনাশক দেওয়া ফসল খেয়ে বিষক্রিয়া হতে পারে। বিষক্রিয়ার জেরেই সম্ভবত সাতটি হাতির মৃত্যু হয়েছে। ওই দলে ১৩টি হাতি ছিল। যার মধ্যে ১০টি হাতির খোঁজ পাওয়া গেলেও। বাকি তিনটির এখনও পর্যন্ত হদিশ মেলেনি। বান্ধবগড়ে পরপর হাতির মৃত্যুর তদন্ত করছে দিল্লির ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো।