আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘরে গর্ভপাত করাতে গিয়ে মৃত সন্তানসম্ভবা মহিলা। নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে পুণেতে। এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে মহিলার স্বামী এবং শ্বশুরকে। শ্বাশুড়ি পলাতক। তাঁর নামেও জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।
পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের পর জানিয়েছে, চার মাসের ভ্রূণ ছিল মহিলার গর্ভে। এক হাতুড়ে ডাক্তারকে ডাকা হয় বাড়িতে। তিনি এসে গর্ভপাত করেন মহিলার। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওই ডাক্তারকে পুলিশ তলব করেছে।
জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন বছর ২৪ -এর ওই মহিলা। তাঁর এক ছেলে এবং এক মেয়ে আছে। এরপরই তৃতীয়বারের জন্য তিনি সন্তানসম্ভবা হন। পুলিশ জানিয়েছে, কোনওভাবে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার গর্ভে কন্যাভ্রূণ রয়েছে। এরপরই পরিবার গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেয়।
গর্ভপাত করার চেষ্টা করা হয় বাড়িতে ডাক্তার ডেকে চুপিসারে। কিন্তু রক্তপাত বন্ধ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে পরেরদিন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী হাসপাতালে। যাওয়ার পথেই মারা যান সন্তানসম্ভবা ওই মহিলা।
মহিলার ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে স্বামী এবং শ্বশুরকে। শ্বাশুড়ি পলাতক বলেই জানিয়েছে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে মৃত ভ্রূণও। ইন্দপুর থানায় ভারতীয় ন্যায়সংহিতার ৮৫, ৯০ এবং ৯১ ধারায় দায়ের করা হয়েছে মামলা।
প্রসঙ্গত, ভ্রূণের গর্ভনির্ধারণ বেআইনি এ দেশে। তারপরেও বেশ কিছু জায়গায় চলছে এই কারবার। পরীক্ষার পরে গর্ভে কন্যাসন্তান আছে জানা গেলেই মেরে ফেলা হচ্ছে তাকে।
















