আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে সর্বনাশ। এলাকারই পরিচিত কিশোরদের যৌন লালসার শিকার এক কিশোরী। ১৩ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন কিশোরকে। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের হুব্বালিতে। রবিবার পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ বছরের এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন কিশোরের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের বয়স ১৪ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। সকলেই কিশোরীর পূর্বপরিচিত। 

 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সময় কিশোরীর পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। কিশোরীর এলাকাতেই থাকে ওই অভিযুক্তরা। পরিবারের অনুপস্থিতিতে কিশোরীকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায় তারা। এরপর সেখানেই গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। গণধর্ষণের পর হুমকিও দেওয়া হয়েছিল নির্যাতিতা কিশোরীকে। 

 

হুব্বালি- ধরওয়াদ পুলিশ কমিশনার এন শশী কুমার জানিয়েছেন, নির্যাতিতা কিশোরীকে ইতিমধ্যেই চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি তিন অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে দু'জন এখনও স্কুলের ছাত্র, আরেকজন স্কুলের ড্রপআউট। 

 

নির্যাতিতার পরিবার পুলিশকে এও জানিয়েছে, গণধর্ষণের সময় কিশোরীর অশালীন কিছু ভিডিও তুলেছিল অভিযুক্তরা। সেই ভিডিওগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তিন অভিযুক্তের মোবাইল ফোন হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ঘটনার মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। 

 

গতবছর ডিসেম্বরে এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। নাবালক ও কিশোরদের যৌন লালসার শিকার হয়েছিল ১৩ বছরের এক কিশোরী। আচমকাই তার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিল চারজনে। এরপর আড্ডা দেওয়ার জন্য তাকে নিয়ে যায় একটি লজে। সেখানেই শুরু হয় গণধর্ষণ। নির্যাতিতা কিশোরীর মুখে বর্ণনা শুনে শিউরে উঠেছে পুলিশ। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছিল তেলেঙ্গানায়। পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল চারজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের মধ্যে দু'জন নাবালক। একটি লজে কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে, যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। 

 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ ডিসেম্বর। সেকেন্দ্রাবাদে কিশোরীকে একা দেখতে পেয়েই আলাপ করেছিল চারজন। এরপর একটি লজে নিয়ে যায় তারা। সেখানেই ঘরের মধ্যে চারজন মিলে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে। এর আগে থেকেই কিশোরী নিখোঁজ ছিল। গত ৫ ডিসেম্বর নির্যাতিতার পরিবার সাঙ্গারেড্ডি জেলায় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। 

 

এরপরই তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। দিন কয়েক পরেই ওই কিশোরী পুলিশকে ফোন করে তার ঠিকানা জানায়। সেই লজে পৌঁছে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তখনই গণধর্ষণের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে‌। অভিযোগের ভিত্তিতে দু'জনকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বাকি দু'জনকে গ্রেপ্তার করে অবজারভেশন হোমে পাঠানো হয়েছে।