আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাড়ির সোফায় বসেই স্মার্টফোনে রিল দেখছিল চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। বাকিরা কাজেই ব্যস্ত ছিলেন। রিল দেখার সময়েই ঘটল বিপত্তি। আচমকা বুকে ব্যথা নিয়ে লুটিয়ে পড়ল সে। নিমেষের মধ্যেই মর্মান্তিক পরিণতি।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলায়। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাড়িতেই স্মার্টফোনে রিল দেখছিল ১০ বছরের এক নাবালক। রিল দেখতে দেখতে আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। যে ঘটনায় রীতিমতো হতবাক পরিবারের সদস্যরাও।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, রিল দেখার সময়েই বুকে ব্যথা হয়েছিল নাবালকের। আচমকাই সে লুটিয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি করে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ধানাউরায় বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। রক্তচাপ ও অন্যান্য টেস্টের পর নাবালককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এরপর মৃতদেহ বাড়িতে এনেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করে পরিবার। তাই দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো যায়নি।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নাবালকের মৃত্যু হয়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই। মাত্র ১০ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার নেপথ্যে কী কী কারণ ছিল, তা অজানা সকলের। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সন্ধ্যায় ধানাউরা থানার অন্তর্গত ঝুঝেলা চক এলাকায়। পেশায় কৃষক দীপক কুমার ও স্ত্রী পুষ্পার প্রথম সন্তান ছিল ওই নাবালক।
গত সেপ্টেম্বরে এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। মায়ের কোলে মাথা রেখেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে ১০ বছরের এক নাবালক। বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে বুকে ব্যথা অনুভব করেছিল সে। শরীরে অস্বস্তি বাড়তেই ছুটে যায় বাড়িতে। মায়ের কোলে মাথা রেখে বিশ্রাম নিচ্ছিল। তখনই মর্মান্তিক পরিণতি হয় নাবালকের।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ১০ বছর বয়সেই মৃত্যু হয় তার। আগে থেকেই অসুস্থ ছিল না নাবালক। সেদিন খেলাধুলার সময়েই শুধুমাত্র শরীরে অস্বস্তি অনুভূত হয়েছিল। বাড়িতেই তাড়াতাড়ি ছুটে গিয়েছিল। ভেবেছিল, কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলেই সেরে উঠবে। সেই বিশ্রাম নেওয়ার সময়েই চরম পরিণতি হল তার।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের কোলাপুর জেলায়। মৃত নাবালকের নাম, শ্রবণ অজিত গাভাড়ে। ১০ বছর নাবালক খেলাধুলার পরেই অসুস্থ বোধ করে। তারপরেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে সে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বন্ধুদের সঙ্গে গণপতি মন্ডলে খেলাধুলা করছিল সে। খেলতে খেলতে হঠাৎ শরীরে অস্বস্তি অনুভব করে।
খেলার মাঠ থেকে দৌড়ে বাড়িতে ছুটে যায় সে। শরীরে অস্বস্তি বাড়তেই মায়ের কোলে মাথা রেখে বিশ্রাম নিচ্ছিল। মায়ের কোলে মাথা রেখেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শ্রবণ। তার মৃত্যুতে কোদোলি গ্রামে শোকের ছায়া। নাবালককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গেছে, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে তার।
মৃত নাবালকের বাবা অজিত গাভাড়ের দুই সন্তান ছিল। এক ছেলে ও মেয়ে। চার বছর আগেই মেয়ের মৃত্যু হয়। এবার আকস্মিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নাবালক ছেলের মৃত্যু হল। কয়েক বছরের ব্যবধানে দুই সন্তানের মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।
