আগেই ভারতের মৌসম ভবন জানিয়েছে, চলতি বছরে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গোটা বর্ষাকালে বৃষ্টির ঘাটতি থাকবে।
2
13
দেশজুড়েই স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে এবছর। পাশাপাশি সব রাজ্যেই বর্ষায় বৃষ্টির ঘাটতি থাকবে। চলতি বছরে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড় প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে।
3
13
জুনে বৃষ্টির ঘাটতি বোঝা না গেলেও, আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টির ঘাটতি থাকবে সব রাজ্যেই। বর্ষাকালেও ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি অনুভূত হবে।
4
13
এর কারণ কী? আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, সুপার এল নিনোর দাপটেই এবছর বৃষ্টি কম হবে। প্রশান্ত মহাসাগরে দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে এল নিনো পরিস্থিতি ভারতের দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দিতে পারে।
5
13
এল নিনো কী? প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের জল অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হয়ে ওঠার ঘটনাকেই এল নিনো পরিস্থিতি বলে।
6
13
এল নিনোর প্রভাবে কোথাও খরা, কোথাও বন্যার আশঙ্কাও থাকে। পাশাপাশি বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতি তো থাকেই।
7
13
মৌসম ভবন জানিয়েছে, এল নিনোর প্রভাবে স্বাভাবিকের থেকে ৯০ শতাংশেরও কম বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। যা অতীতের গড় সম্ভাবনার দ্বিগুণেরও বেশি।
8
13
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, উত্তর, পশ্চিম এবং মধ্য ভারতের একাধিক রাজ্যে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে। এর মধ্যে পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং রাজস্থানের বিস্তীর্ণ এলাকায় খরার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।
9
13
অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর, উজ্জয়িনী, গোয়ালিয়র, জবলপুর, রেওয়া, সাগর ও নর্মদাপুরম অঞ্চলেও স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।
10
13
পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতের উপকূলীয় এলাকায়, বিশেষ করে চেন্নাইয়ে অতি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অতীতের মতো বন্যা ও জল জমার আশঙ্কাও রয়েছে এই শহরে।
11
13
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ সালে শক্তিশালী এল নিনোর সময় বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নেমে এসেছিল দীর্ঘমেয়াদি গড়ের মাত্র ৮৬ শতাংশে।
12
13
এই সময়কালে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় খরার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একইসঙ্গে চেন্নাইয়েও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল।
13
13
আবার ২০২৩ সালের এল নিনো বছরে শুধু আগস্ট মাসেই দেশে ৩৬ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি দেখা গিয়েছিল। চলতি বছরেও পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।