বর্তমান বাজারে রিটার্ন পাওয়ার সহজ, সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি একটি উপায় হল প্যাসিভ ইনভেস্টিং। যারা শেয়ার বাজারের ওঠানামা, স্টক সিলেকশন বা ট্রেড করার ঝামেলা এড়াতে চান, কিন্তু সম্পদ বাড়াতে চান—তাদের জন্য এই পদ্ধতি আদর্শ।
2
9
প্যাসিভ ইনভেস্টিং মূলত এমন একটি কৌশল যেখানে বাজারকে হারানোর চেষ্টা নয়, বরং বাজারের সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে অনুসরণ করা হয়। এখন প্রশ্ন, কীভাবে এই যাত্রা শুরু করবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক
3
9
প্যাসিভ ইনভেস্টিংয়ে বিনিয়োগকারী সাধারণত ইনডেক্স ফান্ডে বিনিয়োগ করেন যা নির্দিষ্ট কোনও বাজার সূচক অনুসরণ করে। এর ফলে পৃথক স্টক বাছাই করতে হয় না, ঝুঁকি কমে এবং দীর্ঘমেয়াদে কম খরচে ভালো রিটার্ন পাওয়া সম্ভব হয়।
4
9
শুরুতে দুটি জিনিস বিবেচনা করুন। লো এক্সপেন্স রেশিও-ফান্ডের খরচ যত কম, রিটার্ন তত বেশি আপনার হাতে থাকবে। ট্র্যাকিং এরর-যে ফান্ড সূচকের সাথে কম ব্যবধান রাখে, সেটি বেশি কার্যকর।
5
9
অল্প টাকা দিয়ে নিয়মিত বিনিয়োগ করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল এসআইপি। মাসে মাত্র ৫০০ বা ১,০০০ টাকা দিয়েও শুরু করা যায়। এটা বাজারের ওঠানামার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে গড়ে ভালো রিটার্ন দেয়।
6
9
বয়স, আয়, ঝুঁকি গ্রহণক্ষমতা অনুযায়ী অ্যাসেট অ্যালোকেশন বানানো জরুরি। যেমন: কম বয়সে ইকুইটি বেশি। বয়স বাড়লে ডেবিট বা নিরাপদ বিনিয়োগ বাড়ানো।
7
9
প্যাসিভ ইনভেস্টিং হল ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়। ৫, ১০, ১৫ বছর ধরে চক্রবৃদ্ধি হারে রিটার্ন জমতে জমতে বড় অঙ্কে পরিণত হয়।
8
9
প্রতি ৬ বা ১২ মাসে একবার দেখে নিন আপনার অ্যাসেট বণ্টন ঠিক আছে কিনা। প্রয়োজন হলে রিব্যালেন্স করুন—অতিরিক্ত পরিবর্তনে ক্ষতি হতে পারে।
9
9
প্যাসিভ ইনভেস্টিং জটিল নয়—বরং সবচেয়ে সহজ বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলোর একটি। কম খরচ, কম ঝুঁকি ও দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন—এই তিন সুবিধার কারণে এটি বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন আপনার পালা—কাল নয়, আজই প্রথম পদক্ষেপ নিন।