১) জিভ নাড়াতে পারে না: কুমিরের জিভ মুখের নিচের অংশের সঙ্গে এমনভাবে সংযুক্ত যে এটি নড়াচড়া করতে পারে না বা মুখের বাইরে বের করতে পারে না। জিভের নিচে তাদের প্রধান লবণ রেচন গ্রন্থি থাকে।
2
5
২) পাথর গিলে খায়: কুমির হজমে সাহায্য করার জন্য পাথর গিলে খায়। এই পাথরগুলো পেটের মধ্যে খাদ্যবস্তু ভাঙতে সাহায্য করে (যেমনটি পাখিদের ক্ষেত্রে ঘটে)। এছাড়াও, কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন যে ভারী হওয়ার কারণে পাথরগুলো জলে ডুব দিতে সাহায্য করে।
3
5
৩) শক্তিশালী কামড় কিন্তু দুর্বল খোলার পেশী: কুমিরের চোয়াল বন্ধ করার পেশীগুলি বিশ্বের যে কোনও প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। তবে, তাদের চোয়াল খোলার পেশীগুলি খুবই দুর্বল, তাই মানুষ সহজেই তাদের মুখ বন্ধ রাখতে পারে।
4
5
৪) শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: অন্যান্য সরীসৃপের মতো কুমিরও শীতল রক্তবিশিষ্ট। তারা শরীরকে ঠাণ্ডা করার জন্য প্রায়শই হাঁসের মতো মুখ খুলে রাখে। এই আচরণকে 'গেপিং' বলা হয়।
5
5
৫) ডিমের তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে বাচ্চার লিঙ্গ: অনেক প্রজাতির কুমিরের ক্ষেত্রে ডিমের ভেতরের তাপমাত্রা নির্ধারণ করে দেয় যে বাচ্চাটি পুরুষ হবে নাকি স্ত্রী। সাধারণত, একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার (যেমন প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) নিচে ডিম রাখলে স্ত্রী এবং তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় (যেমন ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর উপরে) পুরুষ বাচ্চার জন্ম হয়।